সরাসরি বিশ্বকাপে খেলতে হবে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের আগে বাংলাদেশ দলের মূলমন্ত্র এমনই। নিউজিল্যান্ডকে তাই হোয়াইটওয়াশ করার পথই খুঁজছে বাংলাদেশ।
আর সেই লড়াইয়ে স্বাগতিক দেশ হওয়ার পূর্ণ সুবিধাই নিচ্ছে বাংলাদেশ দল। মিরপুরের উইকেট হবে মন্থর ও স্পিন বান্ধব। সেটা দেখা মিরাজ, তানভির কিংবা মুস্তাফিজুর রহমানেরও চোখ চকচক করতে বাধ্য। কোচ ফিল সিমন্সই তেমন আভাসই দিলেন। জানিয়ে দিলেন, উইকেট হতে পারে ধীরগতির।

তিনি বলেন, ‘দিনের আলোয় খেলা হলে কিছুটা পার্থক্য তৈরি হয়। উইকেট কিছুটা ধীরগতির হতে পারে বা গ্রিপ একটু বেশি করতে পারে। আমাদের অনুশীলনগুলো এই সময়েই হয়েছে, তাই আমরা সেভাবেই প্রস্তুতি নিচ্ছি।
গেল সোমবার পিচ কিউরেটর টনি হেমিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন টিম ম্যানেজমেন্টের সদস্যরা। এই বৈঠকে ছিলেন প্রধান কোচ ফিল সিমন্স, প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন এবং ক্রিকেট অপারেশন্সের ইনচার্জ শাহরিয়ার নাফীস। সেখান থেকে উইকেট কেমন হবে, তাঁর রেসিপি পেয়ে গেছেন টনি হেমিংওয়ে।

পাকিস্তানের বিপক্ষে গেল সিরিজে পুরোদস্তর স্পোর্টিং উইকেটে খেলেছে বাংলাদেশ। তবে, এবার পুরোপুরি তেমন উইকেট হচ্ছে না। আবার মিরপুরের চিরায়ত শতভাগ মন্থর উইকেটও নয়। স্পোর্টিং ধাঁচ রেখেই পূর্ণ সুবিধা নিতে চায় বাংলাদেশ, যেটা চমকে দেবে নিউজিল্যান্ডকে।










