শেষ সমীকরণটা আর মেলানো হলো না, শ্রীলঙ্কা বিদায় করে দিল পাকিস্তানকে। শুরু থেকেই অঙ্ক কষে এগোতে থাকা পাকিস্তান পরীক্ষার খাতায় শূন্য নিয়েই ধরল বাড়ির পথ। অন্যের ঘাড়ে চেপে আর কত পথই বা পার হওয়া যায়?
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জিততে হবে, তবে জিতলেই হবে না একটা হিসাব মেলাতে হবে। এসব মাথায় নিয়ে আগে ব্যাট করতে নেমে ২১২ রান স্কোরবোর্ডে তোলে পাকিস্তান। যা অনায়াসে ২৪০ ছুঁতে পারত। তবে ব্যাটারদের ব্যর্থতায় তা হয়ে ওঠেনি।
একটাই পথ খোলা ছিল, শ্রীলঙ্কাকে ১৪৭ রানের মধ্যে বেঁধে ফেলা। তবে বোলাররা সেটাও করতে পারেননি। ফলাফল সেমি নয়, বিমানের টিকিট কেটে ফেলল পাকিস্তান।

সুপার এইটে আসতে অনেক কসরত করতে হয়েছিল। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, অনিশ্চিত ভারত ম্যাচ মাঠে গড়ানোর পর নাস্তানাবুদ হওয়া। এরপর নামিবিয়ার সাথে বাঁচা-মরার সমীকরণ টপকে তবেই সুপার এইটে পা রাখে সালমান আলীরা।
এখানেও হিসাব-নিকাশের খাতা বন্ধ করা যায়নি। বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়া নিউজিল্যান্ড ম্যাচ, এরপর ইংল্যান্ডের কাছে পরাজয় বরণ, ওখানেই বিদায়ের গল্প লেখা হতে পারত। তবে বন্ধু বেশে এগিয়ে আসে ইংলিশরা, নিউজিল্যান্ডকে অবিশ্বাস্যভাবে হারিয়ে পাকিস্তানকে একটা শেষ সুযোগ করে দেয়। আর সেটা এই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সমীকরণ মিলিয়ে জেতা।
ইংল্যান্ড সুযোগ দিলেও ব্যর্থ সালমানের সৈন্যরা। নিজেদের ভাগ্য নিজেদের হাতে লিখতে পারল না তারা। অবশ্য এত হিসাব মিলিয়ে আর কতদূরই বা যাওয়া যায়? নিজেদেরও যে কিছু করে দেখাতে হয়, সেটাই মূলত পারেনি পাকিস্তান। বিশ্বকাপকে তাই সুপার এইটেই বিদায় বলতে হলো।











