দাসুন শানাকা প্রায় জিতেই গিয়েছিলেন

তারপরও শানাকার ইনিংসটা স্মরণীয় হয়ে রইরে বিশ্বকাপের ইতিহাসে। এই লড়াইটা আরেকটু আগে শুরু করতে পারলে, শ্রীলঙ্কার বিশ্বকাপ যাত্রাটাই ভিন্ন হতে পারত।

শ্রীলঙ্কার দিকে কার্যত কারও নজরও ছিল না। নজর ছিল শুধুই পাকিস্তানের দিকে। পাকিস্তান সেমিফাইনালে খেলতে পারবে কি পারবে না, সেটা নিয়েই ছিল সকল আলোচনা। তবে, আলোচনাটা নিজেদের দিকে ঘুরিয়ে নিতে পেরেছিলেন শ্রীলঙ্কান অধিনায়ক – দাসুন শানাকা।

ম্যাচ যখন শ্রীলঙ্কার নাগালের বাইরে, পাকিস্তান যখন সেমিফাইনালের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে – ঠিক তখনই জ্বলে উঠলেন তিনি। খেললেন ৩১ বলে ৭৬ রানের অনবদ্য আর অপরাজিত রানের এক ইনিংস।

দু’টি চারের সাথে কেবল ছক্কাই ছিল আটটি। শেষ দুই বলে শ্রীলঙ্কার জিততে দরকার ছিল ছয় রান। সেখান থেকে শাহীন আফ্রিদির নেতিবাচক বোলিংয়ে কোনো রানই নিতে পারেননি শানাকা। পারলে, জয় নিয়েই বীরের বেশে মাঠ ছাড়তে পারতেন শানাকা।

১৯ তম ওভারে ১৮ রান বের করেন শানাকা। শেষ ওভারে শ্রীলঙ্কার জয়ের জন্য দরকার ছিল ২৮ রান। সেখান থেকে প্রথম চার বলে একটি চার আর তিনটি ছক্কা আদায় করে নেন শানাকা। ২২ রান চলে আসল।

শেষটা রাঙাতে পারতেন। পারলেন না, শেষ বলটা ওয়াইড দেওয়া হল না কেন – সে নিয়ে ডাগ আউটেই ক্ষোভ ঝাড়লেন কোচ সনাথ জয়াসুরিয়া।

তারপরও শানাকার ইনিংসটা স্মরণীয় হয়ে রইরে বিশ্বকাপের ইতিহাসে। এই লড়াইটা আরেকটু আগে শুরু করতে পারলে, শ্রীলঙ্কার বিশ্বকাপ যাত্রাটাই ভিন্ন হতে পারত।

Share via
Copy link