ভারতকে রুখে দিল পুচকে আয়ারল্যান্ড!

দীর্ঘ বিরতির পর ক্রিকেটের মাঠে নামা ভারত ভেবেছিল জয় দিয়ে নতুন যাত্রা শুরু করবে। তবে, সেই পরিকল্পনা একেবারে ভেস্তে দিল আয়ারল্যান্ড।

শক্তিশালী দল, নতুন অধিনায়ক আর প্রতিপক্ষ তুলনামূলক ছোট দল আয়ারল্যান্ড। তারপরও আটকে গেল ভারত। দীর্ঘ বিরতির পর ক্রিকেটের মাঠে নামা ভারত ভেবেছিল জয় দিয়ে নতুন যাত্রা শুরু করবে। তবে, সেই পরিকল্পনা একেবারে ভেস্তে দিল আয়ারল্যান্ড। 

নিজেদের ঘরের মাঠে আগে ব্যাট করতে নামে আয়ারল্যান্ড। টপ-অর্ডারের কেউ বড় মাপের ইনিংস খেলতে না পারলেও সেই জায়গাটা পুষিয়ে দেন আইরিশ অধিনায়ক লরকান টাকার। গ্যারেথ ডেলানিকে সঙ্গী করে স্বাগতিকদের নিয়ে যান বড় সংগ্রহের পথে। 

ডেলানি ফিফটি থেকে মাত্র এক রান দূরে থেকে আউট হয়ে গেলেও টাকার তুলে নেন অর্ধশতক। ভারতীয় বোলারদের অনিয়ন্ত্রিত বোলিং আর নিজেদের ঘরের মাঠের কন্ডিশনের সুবিধা কাজে লাগিয়ে আইরিশরা থামে ১৮২ রান করে।

তাড়া করতে নেমে এক প্রান্ত থেকে একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে ভারত। সাঞ্জু স্যামসন, ইশান কিষাণ, কিংবা অধিনায়ক হিসেবে প্রথম ম্যাচ খেলতে নামা শ্রেয়াস আইয়ার, ব্যাট হাসেনি কারোরই। কেবলমাত্র, অভিষেক শর্মাই একদিক আগলে রেখে জিইয়ে রাখেন জয়ের আশা।

মাত্র ২০ বলে ২৫০ স্ট্রাইকরেটে ফিফটি করে ফেরেন অভিষেক। কিন্তু, এই বাঁহাতি ওপেনারকে যোগ্য সঙ্গ দেওয়ার মতো কেউই ছিলেন না। একে একে উইকেটের পতনের সাথে ম্যাচ থেকেও ছিটকে যেতে থাকে ভারত। আইরিশ বোলারদের বুদ্ধিদৃপ্ততার সামনে তাদের থেমে যেতে হয় ১৪৮ রানে।

ম্যাচ শুরুর আগে যে কেউই ভারতের গায়ে ফেভারিটের তকমা জুড়ে দিলেও মাথে দেখা গেল ভিন্নচিত্র। আরও একবার প্রমাণ হয়ে গেল, ক্রিকেটের অভিধানে ছোট দল বলে কোনো শব্দ হয় না। টানা দুইবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ীদের আইরিশরা হারিয়ে দিল ৩৪ রানের ব্যবধানে। 

লেখক পরিচিতি

বেঁচে আছি না পড়া বইগুলো পড়ব বলে

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link