জাদু জানেন ফিফা সভাপতি?

হাজার হাজার কিলোমিটার দূরের দুই ভেন্যুতে একসঙ্গে ফিফা সভাপতির এমন উপস্থিতি দেখে বিস্মিত হয়েছেন ফুটবলপ্রেমীরা।

ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো কি কোনো জাদুকর? এক মুহূর্তে তাঁকে এক স্টেডিয়ামে দেখা যায় তো পরের মুহূর্তে অন্য স্টেডিয়ামে! এবারের বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘ই’-এর শেষ রাউন্ডের ম্যাচে ঠিক এমনই এক অবিশ্বাস্য আর অদ্ভুত ঘটনাকে ঘিরে এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে তুমুল আলোচনা।

সম্প্রতি একই সময়ে মাঠে গড়ায় ইকুয়েডর-জার্মানি এবং কুরাসাও-আইভরি কোস্টের মধ্যকার দুটি ভিন্ন ম্যাচ। মাঠের ফুটবলে ফেভারিট দল বিবেচিত হওয়া জার্মানির হার কিংবা আইভরি কোস্টের নকআউট নিশ্চিত হওয়ার চেয়েও বড় চমক দেখা যায় স্টেডিয়ামের জায়ান্ট স্ক্রিনে। যেখানে ভিন্ন দুই স্টেডিয়ামে খেলা হলেও দুই জায়গাতেই দেখা মেলে ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোর।

হাজার হাজার কিলোমিটার দূরের দুই ভেন্যুতে একসঙ্গে ফিফা সভাপতির এমন উপস্থিতি দেখে বিস্মিত হয়েছেন ফুটবলপ্রেমীরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে সেই ছবি আর ভিডিও। বিভ্রান্ত সমর্থকরা রসিকতা করে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন, ফিফা সভাপতির কি তবে কোনো ‘ডুপ্লিকেট’ বা ক্লোন আছে?

অবশ্য এই অদ্ভুত রহস্যের পেছনে লুকিয়ে আছে এক সহজ টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ১৬টি ভিন্ন ভেন্যুতে ছড়িয়ে থাকা ৪৮ দলের এই বিশাল বিশ্বকাপে একদিনে একাধিক ম্যাচে সশরীরে উপস্থিত থাকার এক উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা করেছেন খোদ ফিফা সভাপতি।

এই অসম্ভবকে সম্ভব করতে ইনফান্তিনো ব্যবহার করছেন কাতার এয়ারওয়েজের দেওয়া একটি বিশেষ বিলাসবহুল প্রাইভেট জেট। সেই জেটে ভর করে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে এক দেশের স্টেডিয়াম থেকে অন্য দেশের স্টেডিয়ামে চোখের পলকে উড়ে যাচ্ছেন তিনি, যা সম্প্রচার প্রযুক্তির কল্যাণে পর্দায় ধরা পড়ছে।

ফুটবল বিশ্বকাপের প্রতি পৃথিবীর সকল প্রান্তের মানুষের আলাদা আকর্ষণ থাকে। তাই তো, ইনফান্তিনোর দুই স্টেডিয়ামে থাকার ঘটনা বিশেষ করে নজর কেড়েছে নেটিজেনদের মধ্যে। যদিও এই ঘটনার পেছনে কোনো জাদুই লুকিয়ে নেই, কেবল এক প্রাইভেট জেট ছাড়া। 

লেখক পরিচিতি

বেঁচে আছি না পড়া বইগুলো পড়ব বলে

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link