কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনহা তখনও প্রস্তুত হননি, রেফারিও বাঁশি বাজাননি, তবে লিওনেল মেসি ফ্রি-কিক নিয়ে ফেললেন। সংশয় আর বিতর্ক এখানেই ডালপালা মেলে, মেসি কি নিয়মবহির্ভূত কিছু করেছেন? উত্তরটা, না। নিয়ম মেনেই ফ্রি-কিক নিয়েছেন মেসি।
এটা মূলত কুইক ফ্রি-কিক নেওয়ার কৌশল। নিয়ম অনুযায়ী ফ্রি-কিক পাওয়ার পর যদি বল স্পটে রাখা হয় এবং প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডাররা ১০ গজ দূরত্বে ওয়াল সেট করে ফেলেন, সেক্ষেত্রে কোনো বিতর্কই থাকে না। বাকিরা প্রস্তুত হোক কিংবা না হোক, রেফারি বাঁশি না বাজালেও শট নেওয়া যায়।

নিয়ম এও বলে, কুইক ফ্রি-কিক ডিফেন্ডার ওয়াল সেট করার আগেও নেওয়া যায়। এখানে রেফারি বাঁশি বাজানোর অপেক্ষা করার দরকার পড়ে না ফ্রি-কিক টেকারের।
তবে নিয়মটা কেবলই একপেশে না, ডিফেন্ডার কিংবা গোলরক্ষকও যথেষ্ট সময় পাবেন যদি একটা কৌশল অবলম্বন করেন। ফ্রি-কিক নেওয়ার আগে যদি গোলরক্ষক এক হাত উঁচু করে রাখেন, তবে সেক্ষেত্রে ফ্রি-কিক টেকারকে অপেক্ষা করতে হবে। সাধারণত এই দৃশ্য হরহামেশাই দেখা যায়। যেটা ভোজিনহা করেননি। আর বিচক্ষণ মেসি সেই সুযোগটাই মূলত কাজে লাগিয়েছেন। নিয়ম মেনেই ফ্রি-কিক নিয়েছেন তিনি।











