বাঁশি বাজানোর আগে কেন ফ্রি-কিক নিলেন মেসি!

কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনহা তখনও প্রস্তুত হননি, রেফারিও বাঁশি বাজাননি, তবে লিওনেল মেসি ফ্রি-কিক নিয়ে ফেললেন। সংশয় আর বিতর্ক এখানেই ডালপালা মেলে, মেসি কি নিয়মবহির্ভূত কিছু করেছেন?

কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনহা তখনও প্রস্তুত হননি, রেফারিও বাঁশি বাজাননি, তবে লিওনেল মেসি ফ্রি-কিক নিয়ে ফেললেন। সংশয় আর বিতর্ক এখানেই ডালপালা মেলে, মেসি কি নিয়মবহির্ভূত কিছু করেছেন? উত্তরটা, না। নিয়ম মেনেই ফ্রি-কিক নিয়েছেন মেসি।

এটা মূলত কুইক ফ্রি-কিক নেওয়ার কৌশল। নিয়ম অনুযায়ী ফ্রি-কিক পাওয়ার পর যদি বল স্পটে রাখা হয় এবং প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডাররা ১০ গজ দূরত্বে ওয়াল সেট করে ফেলেন, সেক্ষেত্রে কোনো বিতর্কই থাকে না। বাকিরা প্রস্তুত হোক কিংবা না হোক, রেফারি বাঁশি না বাজালেও শট নেওয়া যায়।

নিয়ম এও বলে, কুইক ফ্রি-কিক ডিফেন্ডার ওয়াল সেট করার আগেও নেওয়া যায়। এখানে রেফারি বাঁশি বাজানোর অপেক্ষা করার দরকার পড়ে না ফ্রি-কিক টেকারের।

তবে নিয়মটা কেবলই একপেশে না, ডিফেন্ডার কিংবা গোলরক্ষকও যথেষ্ট সময় পাবেন যদি একটা কৌশল অবলম্বন করেন। ফ্রি-কিক নেওয়ার আগে যদি গোলরক্ষক এক হাত উঁচু করে রাখেন, তবে সেক্ষেত্রে ফ্রি-কিক টেকারকে অপেক্ষা করতে হবে। সাধারণত এই দৃশ্য হরহামেশাই দেখা যায়। যেটা ভোজিনহা করেননি। আর বিচক্ষণ মেসি সেই সুযোগটাই মূলত কাজে লাগিয়েছেন। নিয়ম মেনেই ফ্রি-কিক নিয়েছেন তিনি।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link