ম্যানচেস্টার সিটি সমর্থকদের কলা-রহস্য!

আপাতদৃষ্টিতে এটি অদ্ভুত মনে হলেও, ম্যানচেস্টার সিটির সমর্থকদের এই কলার সদৃশ বেলুন ব্যবহারের পেছনে রয়েছে চার দশকের পুরোনো এক ইতিহাস ও আত্মব্যঙ্গের সংস্কৃতি।

ফুটবল মাঠে সমর্থকদের নানা উদযাপনের ধরণ নতুন কিছু নয়। তবে অ্যানফিল্ডে লিভারপুলের বিপক্ষে ম্যাচে ম্যানচেস্টার সিটির সমর্থকদের গ্যালারিতে কলার আকারের ইনফ্লেটেবল বেলুন উঁচিয়ে ধরতে দেখা গেছে। আপাতদৃষ্টিতে এটি অদ্ভুত মনে হলেও, ম্যানচেস্টার সিটির সমর্থকদের এই কলার সদৃশ বেলুন ব্যবহারের পেছনে রয়েছে চার দশকের পুরোনো এক ইতিহাস ও আত্মব্যঙ্গের সংস্কৃতি।

​এই প্রথাটি প্রথম শুরু হয় ১৯৮৭-৮৮ মৌসুমে, যখন ইংলিশ ফুটবলের দ্বিতীয় স্তরে অবনমন হয়েছিল ম্যানচেস্টার সিটির। সেই সময়ে ম্যানচেস্টার সিটির স্ট্রাইকার ছিলেন ইমরে ভারাদি। এক সমর্থক মজা করে তাঁর নামের সঙ্গে মিল রেখে তাঁকে ‘ইমরে বানানাস’ বলে ডাকতেন।

পরের একটি ম্যাচে আরেক সমর্থক গ্যালারিতে একটি ফোলা কলার আকৃতির বেলুন নিয়ে আসেন। এই মজার কাণ্ডটি খুব দ্রুতই গ্যালারির অন্যান্য সমর্থকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এবং আশির ও নব্বইয়ের দশক জুড়ে সিটি সমর্থকদের মাঝে এটি বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

সাম্প্রতিক সময়ে প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক নিয়মভঙ্গের বেশ কিছু অভিযোগের মুখে রয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। যার শাস্তিস্বরূপ দলটির চ্যাম্পিয়নশিপে তথা দ্বিতীয় বিভাগে অবনমনের গুঞ্জন বা সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

নিজের দলকে নিয়ে হওয়া এই সম্ভাব্য অবনমনের চর্চাকে সমর্থকেরা অত্যন্ত হালকা চালে ও কৌতুকের সাথে গ্রহণ করেছেন। অতীতে যখনই দলটি অবনমিত হয়েছিল, তখনই এই কলার বেলুন ছিল তাদের প্রতিকী চিহ্ন।

সেই পুরোনো অতীতকে মনে করিয়ে দিয়ে এবং সম্ভাব্য শাস্তির গুঞ্জনকে একপ্রকার উপহাস করতেই আজকের দিনে আবার কলার সদৃশ বেলুন নিয়ে গ্যালারিতে হাজির হন সিটিজেন সমর্থকরা।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

এলাম, দেখলাম, জয় করলাম

দীর্ঘ বিরতির পর ক্রিকেটের আভিজাত্যমণ্ডিত এই সংস্করণে রেনশোর প্রত্যাবর্তন ঘটেছিল গত আগস্টেই, বাংলাদেশের বিপক্ষে! তাও আবার অজিদের উদ্বোধনী ব্যাটিংয়ের সংকট নিরসনের উদ্দেশ্যেই। কিন্তু দুই মাসের ব্যবধান পেরোনোর আগেই অস্ট্রেলিয়ার মিডল অর্ডারের নির্ভরযোগ্য স্তম্ভ হয়ে উঠলেন এই অজি ব্যাটার। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসে যেমন আবির্ভূত হয়েছিলেন দলের ত্রাণকর্তা হিসেবে, দ্বিতীয় ইনিংসেও যেন তারই পুনরাবৃত্তি! প্রথম ইনিংসে একের পর এক ব্যাটারের সাজঘরে প্রত্যাবর্তনের মধ্যেও অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ৩৯০ রানে উন্নীত করতে রেখেছিলেন সবচেয়ে বড় ভূমিকা, খেলেছিলেন ক্যারিয়ারসেরা ১৯০ রানের অনবদ্য ইনিংস। ঠিক তেমনই এই ইনিংসেও সাজঘরে ফেরার আগে রেনশো তুলে নিলেন ৮২ রান!

Share via
Copy link