ভারতের সম্পদ হতে এসেছেন অভিষেক

কার্যত তিনি একজন অলরাউন্ডার, এবারের ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) তাঁকে ব্যাট হাতেই পারফর্ম করতে দেখা গিয়েছে বেশির ভাগ সময়। তবে রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষে কোয়ালিফায়ারে বল হাতেও তাঁর জাত চেনালেন অভিষেক শর্মা। তাইতো অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ক্রিকেটার টম মুডির মতে, ভারতের আগামীর সম্পদ হতে চলেছেন এই বাঁ-হাতি অলরাউন্ডার।

ইতিমধ্যেই ভারতের অনূর্ধ্ব উনিশ দলে খেলা অভিষেক সম্পর্কে টম মুডি বলেন, ‘হ্যাঁ, ঘরোয়া ক্রিকেটে সে (অভিষেক) তেমন একটা বল করে না। তবে ভবিষ্যতে জাতীয় দলে তাঁকে বল করতে হতে পারে। কেননা, সে বেশ কার্যকরী খেলোয়াড়। সে এমন একজন খেলোয়াড় যে টপ অর্ডারে খেলে থাকে, সেই সাথে বাঁ-হাতে স্পিন বল করতে সক্ষম। তাইতো সে নি:সন্দেহে মূল্যবান সম্পদ হতে যাচ্ছে ভবিষ্যতে।’

ব্যাট হাতে দুর্দান্ত এক মৌসুম কাটিয়েছেন সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের এই বাঁ-হাতি ব্যাটার, ১৫ ইনিংসে ২০৭.৭৫ স্ট্রাইক রেটে করেন মোট ৪৮২ রান। এই মৌসুমে তিনি ৪২ টি ছক্কা হাঁকান। যা আইপিএলের ইতিহাসে যেকোন ভারতীয় ব্যাটারের জন্য সবচেয়ে বেশি। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে এই বাঁ-হাতি স্পিনার রাজস্থানের মিডল অর্ডারের বিরুদ্ধের বোলিং করেছিলেন।

দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে সাঞ্জু স্যামসন অভিষেকের তৃতীয় বলে ওয়াইড লং-অনে ক্যাচ তুলে দিয়ে আউট হয়েছিলেন এবং অভিষেক তাঁর তৃতীয় ওভারে ক্যারাম বলে শিমরন হেটমায়ারকে বোল্ড করে রাজস্থানকে বিপাকে ফেলে দেন। অভিষেক তাঁর প্রথম তিন ওভারে একটিও বাউন্ডারি হতে দেননি। তিনি ৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে মাত্র ৬ ইকোনমিতে খরচ করেন ২৪ রান। যেখানে ছিল ৮ টি ডট বল। আর শিকার করেন রাজস্থানের দুটি মূল্যবান উইকেট।

তবে মজার বিষয় হল, তিনি জানতেই না যে রাজস্থানের বিপক্ষে তাঁকে বল করতে হবে। এই বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে, আমি জানতাম না যে আমি এই ম্যাচে বল করব, কিন্তু আমি আমার বোলিং নিয়ে প্রস্তুত ছিলাম। কেননা  বোলিং নিয়ে সত্যিই কঠোর পরিশ্রম করছি। তাছাড়া গত দুই বছর আমার ব্যাটিংয়ে সত্যিই ভালো ছিল। তাই আমি আমার বাবার সাথে আমার বোলিংয়ে কাজ করতে চেয়েছিলাম। এজন্য আমার বাবাকে বিশেষভাবে স্মরণ করতে করছি।’

এবারের আইপিএলে ফাইনালে কলকাতা নাইট রাইডার্সের মুখোমুখী হবে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ। আর আইপিএল বরাবরই তরুণ ক্রিকেটাদের জন্য জাতীয় দলে প্রবেশের দুয়ার হিসেবে কাজ করে। তাই এবার সেই সুযোগেরই সঠিক ব্যবহার করে জাতীয় দলে প্রবেশের রাস্তাটা আরও মসৃণ করতে চাইবেন অভিষেক শর্মা।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link