এই বছরের শেষ নাগাদ, বাংলাদেশ একটা পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে উড়াল দেবে দক্ষিণ আফ্রিকার উদ্দেশ্যে। সেই সিরিজের দিনক্ষণ ইতোমধ্যে নির্ধারণ করে ফেলেছে ক্রিকেট সাউথ আফ্রিকা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দুইটি টেস্ট, তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। ১৫ নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে সিরিজ চলবে ১৩ ডিসেম্বর অবধি।
প্রথমেই দু’টো টেস্ট ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ বর্তমান টেস্ট চ্যাম্পিয়নদের বিরুদ্ধে। দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে আটটি টেস্ট ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা আছে বাংলাদেশের। দুঃখজনক হলেও সত্য সেই আট টেস্টের একটি ম্যাচও জেতেনি বাংলাদেশ। সবগুলো ম্যাচেই পরাজিত হয়েছে সফরকারীরা।
সিরিজের প্রথম টেস্ট হবে জোহানেসবার্গে, দ্বিতীয়টি হবে সেঞ্চুরিয়নে। এই সেঞ্চুরিয়নে অবশ্য ওয়ানডেতে দু’টি ম্যাচ জিততে পেরেছিল বাংলাদেশ। ২০২২ সালের সেই স্মৃতি প্রোটিয়াদের মনে গেঁথে আছে। সে কারণেই সম্ভবত সেঞ্চুরিয়নে ওয়ানডে সিরিজের কোন ম্যাচ রাখা হয়নি। ইস্ট লন্ডনে শুরু হবে সিরিজ, পোর্টো এলিজাবেথ ঘুরে, সেই সিরিজের সমাপ্তি হবে কেপ টাউনে।

১৫ নভেম্বর থেকে ২৭ নভেম্বর হবে দুই টেস্ট। মাঝে দুই দিন করে বিরতি দিয়ে ওয়ানডে সিরিজ চলবে ১ ডিসেম্বর থেকে ৭ ডিসেম্বর অবধি। এরপর দুই দিন বিরতি দিয়ে শুরু হবে টি-টোয়েন্টি সিরিজ। টি-টোয়েন্টি সিরিজেও তিনটি আলাদা ভেন্যুতে ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ।
১০ ডিসেম্বর প্রথম ম্যাচ হবে কিম্বারলিতে। ১২ তারিখ বেনোনি ও ১৩ তারিখে সেঞ্চুরিয়নে হবে টি-টোয়েন্টি সিরিজের বাকি দুই ম্যাচ। এই টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের একমাত্র সফলতা ২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের একমাত্র জয়। এছাড়া আরও সাত ম্যাচ খেলে একটিতেও জয় পায়নি বাংলাদেশ।
এই জয় না পাওয়ার ধারাতে নিঃসন্দেহে বদল আনতে চাইবে বাংলাদেশ দল। এই পূর্ণাঙ্গ সিরিজের ওয়ানডে ম্যাচগুলো ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। অন্তত সেই সিরিজটি নিজেদের করে নিতে চাইবে বাংলাদেশ। নতুবা ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি অংশগ্রহণে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হতে পারে। সেই হিসেব-নিকেশ করেই হয়ত মাঠে নামতে চাইবে টাইগাররা। প্রোটিয়াদের মাটিতে ওয়ানডে সিরিজ জয়ের স্মৃতি তো খুব একটা পুরনো নয়।












