মরক্কোর স্বপ্নসারথি আজ্জেদিন উনাহি!

স্ট্রাইকার নন, নামের পাশে নেই গোলমেশিন তকমাও। তবু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে গোল করার দায়িত্বটা নিজের কাঁধেই তুলে নিলেন আজ্জেদিন উনাহি। শট নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন মাত্র দুইবার, আর সেই দুই সুযোগই পরিণত করেছেন দুই গোলে।

স্ট্রাইকার নন, নামের পাশে নেই গোলমেশিন তকমাও। তবু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে গোল করার দায়িত্বটা নিজের কাঁধেই তুলে নিলেন আজ্জেদিন উনাহি। শট নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন মাত্র দুইবার, আর সেই দুই সুযোগই পরিণত করেছেন দুই গোলে। নিখুঁত ফিনিশিং আর অসাধারণ ম্যাচ রিডিংয়ে কানাডার স্বপ্ন ভেঙে দেন।

প্রথমার্ধে গোলশূন্য থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন এই মিডফিল্ডার। ৫০ মিনিটে আশরাফ হাকিমির দ্রুত নেওয়া ফ্রি–কিক থেকে বল পান উনাহি। বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া তাঁর মাটি কামড়ানো শট কানাডার রক্ষণ ভেদ করে জালে আশ্রয় নেয়। সেই গোলেই এগিয়ে যায় মরক্কো।

গোল হজম করার পর সমতায় ফেরার মরিয়া চেষ্টা শুরু করে কানাডা। একের পর এক খেলোয়াড়কে আক্রমণে তুলে এনে মরক্কোর রক্ষণে চাপ সৃষ্টি করতে থাকে তারা। কিন্তু সেই ঝুঁকিপূর্ণ কৌশলই শেষ পর্যন্ত কাল হয়ে দাঁড়ায় তাদের জন্য।

ম্যাচের ৮২ মিনিটে দ্রুত পাল্টা আক্রমণে ওঠে মরক্কো। ব্রাহিম দিয়াজের নিখুঁত পাস গিয়ে পৌঁছায় উনাহির কাছে। এবারও ভুল করেননি তিনি। কাছের পোস্ট লক্ষ্য করে জোরালো শটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে ম্যাচের ভাগ্য কার্যত নিশ্চিত করে দেন।

পরিসংখ্যান বলছে, পুরো ম্যাচে লক্ষ্যে থাকা উনাহির দুটি শটই জালে জড়িয়েছে। অর্থাৎ দুই শট থেকেই দুই গোল। একজন মিডফিল্ডারের কাছ থেকে এমন নিখুঁত ফিনিশিং খুব কমই দেখা যায়।

কেবল গোলই নয়, মাঝমাঠে বলের নিয়ন্ত্রণ, আক্রমণ গড়ে তোলা এবং সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় উপস্থিত থাকার দক্ষতাও দেখিয়েছেন উনাহি। ম্যাচজুড়ে তিনি ছিলেন মরক্কোর আক্রমণের প্রাণভোমরা।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link