জেতা ম্যাচটাও হাতছাড়া করল বাংলাদেশ!

মিডল অর্ডারের ব্যর্থতায় থামল বাংলাদেশের জয়রথ। হাতের মুঠোয় থাকা ম্যাচটা হাত ফসকালো আকবর আলীদের ভুলে। শ্রীলঙ্কার কাছে হারতে হলো ছয় রানে। সেই সাথে চোখে আঙুল দিয়ে লঙ্কানরা দেখিয়ে দিল একটা সূক্ষ্ম পার্থক্য।

মিডল অর্ডারের ব্যর্থতায় থামল বাংলাদেশের জয়রথ। হাতের মুঠোয় থাকা ম্যাচটা হাত ফসকালো আকবর আলীদের ভুলে। শ্রীলঙ্কার কাছে হারতে হলো ছয় রানে। সেই সাথে চোখে আঙুল দিয়ে লঙ্কানরা দেখিয়ে দিল একটা সূক্ষ্ম পার্থক্য।

এদিন আগে ব্যাট করা শ্রীলঙ্কা স্কোরবোর্ডে তুলেছিল ১৫৯ রান। যদিও ডেথ ওভারে আরেকটু ভালো করতে পারলে ১৪০–এর ভেতরই আটকে রাখতে পারত বাংলাদেশ। শেষ পাঁচ ওভারে যে লঙ্কান ব্যাটাররা তুলেছে ৫৯ রান। ব্যাট হাতে সর্বোচ্চ ৬৯ রান করেন সাহান আরাকচিগে। ভঙ্গুর অবস্থা থেকে দলকে এনে দেন লড়াকু পুঁজি।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে হাবিবুর রহমানের স্বভাবসুলভ ঝড়ো শুরু। তবে একপ্রকার মুখস্থ ব্যাটিং করতে গিয়ে অপ্রয়োজনীয় শটে বিলিয়ে দিয়ে এসেছেন নিজের উইকেটটা, থেমেছেন ১৪ বলে ২৭ রান করে। তবে রানের চাকা সচল রাখেন জিসান আলম আর জাওয়াদ আবরার মিলে। তবে ৬০ রানের মাথায় জিসান আর ৮৮–তে জাওয়াদ ফিরে গেলে বিপত্তির শুরু হয়।

মিডল অর্ডারে নামা মাহিদুল ইসলাম এবং আকবর আলী রানের গতি মন্থর করে তোলেন। অতিরিক্ত ডট বল খেলে চাপ বাড়ান। আর সেই চাপের ভার সামলাতে না পেরে উইকেট বিলিয়ে দিয়ে আসেন। অঙ্কনের ১০ বলে আট আর আকবরের ২৬ বলে ২৫ রানের ধীরগতির ইনিংসের ফলে সহজ ম্যাচটা কঠিন হয়ে যায় বাংলাদেশের জন্য।

এরপর সেখান থেকে আর বেরিয়ে আসতে পারেননি ইয়াসির কিংবা মেহরাবরা। শেষ ওভারে ১৮ রানের সমীকরণটা বেশ জমিয়ে তুললেও ছয় রানে হারের ক্ষত নিয়েই মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ। দুই দলের পার্থক্যটা এখানেই, শ্রীলঙ্কা শেষ চার ওভারে ব্যাট হাতে তুলেছিল ৫৩ রান। বাংলাদেশ সেখানে শেষ চার ওভারে ৪০ রানের হিসাবটা মেলাতে পারল না। সেই সাথে লঙ্কান বোলারদের কোয়ালিটিটাও পরিষ্কার হলো। যদিও এই হারে কোনো ক্ষতি হয়নি বাংলাদেশের। সেমিফাইনালে যে অপেক্ষা করছে ভারত।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link