১০ ওভার শেষে এক উইকে ৬১। ১৫ তম ওভারে একজন ওপেনার মাত্র ৫১ বলে হাফ সেঞ্চুরি করে ফেলেছেন। ১৬ ওভারেই রান ১০০ ছুঁয়ে গেছে, হাতে আছে আরও নয়টা উইকেট। তাড়া করতে হবে মাত্র ২৪৫ রান।
ঠিক সেই সময় একটা রান আউট থেকে শুরু হয় ‘ক্লাসিক’ এক ব্যাটিং কলাপ্সের উৎপত্তি। দুই রান নেওয়ার লোভ সামলাতে না পেরে নিজের উইকেট বিলিয়ে দিয়ে আসেন নাজমুল হোসেন শান্ত।
এরপর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে হঠাৎ করে ‘অতিমানব’ হয়ে ওঠেন শ্রীলঙ্কার স্পিনার আর ফিল্ডাররা। ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা কিংবা কামিন্দু মেন্ডিসরা হয়ে ওঠেন একেকজন সাক্ষাৎ যমদূত।

মিড অফে দাঁড়িয়ে জানিথ লিয়েনাগে যেন হঠাৎ করে জন্টি রোডস হয়ে উঠেন, ডাইভ দিয়ে অবিস্মরণীয় ক্যাচ ধরে ফেলেন।
এক উইকেটে ১০০ রানে থাকা বাংলাদেশ, মুহূর্তের মধ্যে বনে যায় এক উইকেটে ১০৫। মানে পাঁচ রান তুলতে গিয়ে সাজঘরে ফিরে গেছেন সাতজন ব্যাটার। লিটন দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ রানের খাতাই খুলতে পারেননি, তাওহীদ হৃদয় করেছেন মোটে এক রান।
এরপর ইনিংসের বাকিটা কার্যত অর্থহীন। সেখানে একের পর এক ছক্কা-চার হাকিয়ে জাকের আলী অনিক একটা ফিফটিও করে ফেললেন, বুঝিয়ে দিলেন – এই উইকেটে বোলারদের জন্য তেমন কিছুই ছিল না।

৩৬ তম ওভারে ১৬৭ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। আর একজন কিং দু’জন ব্যাটার একটু দায়িত্ব নিতে পারলে ম্যাচটা হেসেখেলে জিতে যেতে পারত বাংলাদেশ। এই ব্যাটিং, এই বিপুল সমারোহের ব্যর্থতা ব্যাখ্যাতিত!










