৩-৩, গত তিন বছরে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের টি-টোয়েন্টি জয়ের সংখ্যা। ছয় দেখায় দুই দলই তিনটি করে ম্যাচ জিতেছে। তবে এই পরিসংখ্যানের মাঝে বাংলাদেশের জন্যেও আছে দুঃসংবাদ। বহুজাতিক কোন টুর্নামেন্ট বাংলাদেশ জিততে পারেনি আফগানিস্তানের বিপক্ষে।
এশিয়া কাপে বাংলাদেশের বাঁচা-মরার লড়াই। প্রতিপক্ষ যখন আফগানিস্তান, তখন দুশ্চিন্তা ঘনিভূত হওয়া ভীষণ স্বাভাবিক। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে যেকোন দলের জন্যেই তো আফগানিস্তান এক হুমকির নাম। বাংলাদেশের তুলনায় টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ঢের ভাল খেলে আফগানিস্তান। যার প্রমাণ দুই দলের ১২ দেখায় আফগানদের সাত জয়।
শেষ তিন বছরে বাংলাদেশ জয়ের পাল্লা সমতায় রাখলেও, টুর্নামেন্টের মঞ্চে আফগানদের পাল্লা ঝুকে আছে ২-০ ব্যবধানে। ২০২২ সালের এশিয়া কাপও হয়েছিল টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে। সেবারও গ্রুপ বি-তে ছিল আফগানিস্তান ও বাংলাদেশের অবস্থান। আফগানদের কাছে হেরেই সেবারের টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছিল বাংলাদেশ দল।

সুপার ফোরে যাওয়ার সম্ভাবনা বাঁচিয়ে রাখতে আফগানদের বিপক্ষে জিততেই হতো। এমন ম্যাচে স্রেফ ১২৭ রানের সংগ্রহ তোলে বাংলাদেশ। সে ম্যাচ আফগানিস্তান জিতে নেয় সাত উইকেটের বড় ব্যবধানে। এরপর আবার ২০২৪ সালের বিশ্বকাপে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান। সেই ম্যাচেও বাংলাদেশের সামনে ছিল এক বিশাল সমীকরণ।
স্রেফ ১২.১ ওভারের মাঝে টপকাতে হতো আফগানিস্তানের দেওয়া ১১৪ রানের টার্গেট। সেই ম্যাচটি বাংলাদেশ হেরে যায় অবিশ্বাস্যভাবে। একমাত্র লিটন কুমার দাস সম্ভবত সেই সমীকরণ সত্যি করার পথে ছুটে বেড়িয়েছেন। তিনি আউট হওয়ার পর বাংলাদেশ জয়ের জন্যে খেলতে শুরু করে। এরপর আর জয়টাও ভাগ্যে জোটেনি বাংলাদেশের।
আর বাংলাদেশ যে তিনটি ম্যাচ জিতেছে সে ম্যাচগুলোর সবই অনুষ্ঠিত হয়েছিল ঘরের মাঠে, চেনা কন্ডিশনে। অতএব নিরপেক্ষ ভেন্যুতে নিকট অতীতে আফগানদের হারাতে পারেনি বাংলাদেশ। এদফা আরও একটি সমীকরণ মেলানোর ম্যাচে বাংলাদেশের সামনে আফগানিস্তান।

এশিয়া কাপের সুপার ফোরে যেতে হলে অন্তত জয় নিশ্চিত করতে হবে বাংলাদেশকে। এরপরও তাকিয়ে থাকতে হবে শ্রীলঙ্কা-আফগানিস্তান ম্যাচের ফলাফলের দিকে।











