অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের সুপার সিক্স রাউন্ডে পৌঁছেছে বাংলাদেশের যুবারা। কিন্তু সেমিফাইনালে যাওয়ার পথটা মোটেও সহজ নয় বাংলাদেশের জন্য। কার্যত, ভারত ও ইংল্যান্ডের পরাজয় প্রত্যাশার পাশাপাশি নিজেদের দুই ম্যাচেই জিততে হবে বাংলাদেশকে, কাজটা খানিক কঠিন বাংলাদেশের জন্য।
কেননা সুপার সিক্সে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে। তবে সমস্যা সেটাও না। প্রথম রাউন্ড থেকে বাংলাদেশ খুব বেশি পয়েন্ট ক্যারি করে নিয়ে যেতে পারেনি, সুপার সিক্স রাউন্ডে। নিজেদের গ্রুপে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ছিল ভারত, নিউজিল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্র। এই তিন দলের মধ্যে স্রেফ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে জয় তুলে নিতে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশের যুবারা।

অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচটি ভেসে যাওয়ায়, একটি পয়েন্ট যুক্ত হয়েছিল যুব টাইগারদের নামের পাশে। বিশ্বকাপের এবারের নিয়মানুসারে, সুপার সিক্সে পৌঁছানো দলগুলোর সাথে ম্যাচ থেকে প্রাপ্ত পয়েন্টই যুক্ত হবে সুপার সিক্স রাউন্ডের শুরুতে। এর ফলে বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ড দুই দল একটি করে পয়েন্ট নিয়ে পৌঁছেছে সুপার সিক্সে।
অন্যদিকে সুপার সিক্সের দুই নম্বর গ্রুপের শীর্ষে রয়েছে ভারত ও ইংল্যান্ড। অর্থাৎ এই দুই দলের জন্য সেমিফাইনালে যাওয়া অধিকতর সহজ কাজ। স্রেফ একটি ম্যাচ জিততে পারলেই তারা বাকিদের ধরাছোঁয়ার অনেকটাই বাইরে চলে যাবে। স্রেফ পাকিস্তানের পক্ষে সম্ভব তাদেরকে চ্যালেঞ্জ জানানো। সেজন্য অবশ্য পাকিস্তানকেও জিততে হবে দুই ম্যাচ।

অন্যদিকে বাংলাদেশ যদি নিজেদের হাতে থাকা দুই ম্যাচে জয়লাভও করে, তবে তাদেরকে তাকিয়ে থাকতে হবে ভারত, পাকিস্তান ও ইংল্যান্ডের দিকে। কেননা দুই ম্যাচ জিতলে বাংলাদেশের যুবাদের পয়েন্ট হবে পাঁচ। সুতরাং কার্যত বাংলাদেশের যুবাদের বিশ্বকাপের যাত্রা শেষ। তবে সুপার সিক্সের দু’টো ম্যাচ জিতে একটা স্টেটমেন্ট রেখে যেতে চাইবে টাইগার যুবারা- ‘এবার পারিনি, তবে হাল ছাড়িনি।’











