প্রতাপশালী জার্মানির দর্পচূর্ণ করল ইকুয়েডর!

চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানিকে একটু চমকই দেখাল ইকুয়েডর। চোখে চোখ রেখে লড়াই করল, ম্যাচে অসামান্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখল।

চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানিকে একটু চমকই দেখাল ইকুয়েডর। চোখে চোখ রেখে লড়াই করল, ম্যাচে অসামান্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখল। শেষটাতে ২-১ ব্যবধানের জয় নিয়ে জায়গা করে নিল পরের রাউন্ডে।

শুরুটা হয়েছিল জার্মানির স্বপ্নের মতো। ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই লিরয় সানের গোলে এগিয়ে যায় চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। তবে সেই লিড ধরে রাখতে পারেনি তারা। সাত মিনিটের ব্যবধানে আরও এক গোল আসে। যার কারিগর ইকুয়েডরের নিলসন আনহুলো। বক্সের ভেতরে বল পেয়ে শক্তিশালী শটে ম্যানুয়েল নয়্যারকে পরাস্ত করেন এই ফরোয়ার্ড। দলকে সমতায় ফিরিয়ে বাঁচিয়ে রাখেন সম্ভাবনা। তাদের যে জিততেই হবে।

প্রথমার্ধের বাকি সময়ে দুই দলই আক্রমণ চালিয়ে যায়। জার্মানি আবারও এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ খুঁজতে থাকে, অন্যদিকে ইকুয়েডর পাল্টা আক্রমণে জার্মান রক্ষণকে ব্যস্ত রাখে। তবে শেষ পর্যন্ত আর কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি। ফলে ১-১ সমতা নিয়েই বিরতিতে যায় দুই দল।

দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের গতি আরও বেড়ে যায়। জার্মানি বলের দখল ধরে রেখে আক্রমণ গড়ে তুললেও ইকুয়েডর ছিল অনেক বেশি কার্যকর। মাঝমাঠ থেকে দ্রুত বল আদান-প্রদান আর উইং ব্যবহার করে তারা বারবার জার্মান রক্ষণে চাপ সৃষ্টি করতে থাকে। সেই চাপেরই পুরস্কার আসে ৭৭তম মিনিটে।

কর্নার থেকে ভেসে আসা বলে দারুণভাবে পা ছুঁইয়ে গোল করেন গঞ্জালো প্লাতা। জার্মান রক্ষণভাগের নজর এড়িয়ে বল জালে পাঠিয়ে ইকুয়েডরকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি। যা ম্যাচের ভাগ্যও বদলে দেয়।

পিছিয়ে পড়ার পর জার্মানি মরিয়া হয়ে সমতায় ফেরার চেষ্টা চালায়। একের পর এক আক্রমণ সাজালেও ইকুয়েডরের রক্ষণভাগ আর কোনো বিপদ ঘটতে দেয়নি। ফলে ২-১ ব্যবধানের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ইকুয়েডর। যা নিজেদের ইতিহাসের সবচেয়ে স্মরণীয় জয়গুলোর একটি হয়ে থাকল দক্ষিণ আমেরিকার দলটির কাছে।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link