প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জায়গা করে নিতে দরকার ছিল কেবল ড্র-এর। তবে আইভরি কোস্ট সেটা চাইল না, তারা চাইল বুক ফুলিয়ে জিততে। অগত্যা কুরাসাওকে গুঁড়িয়ে দিল দাপটের সঙ্গে, পাকাপাকিভাবে জায়গা করে নিল রাউন্ড অব ৩২-এ।
ম্যাচের মাত্র সপ্তম মিনিটে কুরাসাওয়ের রক্ষণভাগ বল ঠিকমতো ক্লিয়ার করতে না পারার সুযোগ লুফে নেন নিকোলাস পেপে। বক্সের ভেতরে বল পেয়ে নিখুঁত ফিনিশে জাল কাঁপিয়ে দলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি।
গোল হজমের পর ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে কুরাসাও। তবে আইভরি কোস্টের সংগঠিত রক্ষণভাগের সামনে উল্লেখযোগ্য কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি তারা। অন্যদিকে মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে একের পর এক আক্রমণ চালাতে থাকে আইভরি কোস্ট। তবে প্রথমার্ধে আর কোনো গোল না হওয়ায় ১-০ ব্যবধান নিয়েই বিরতিতে যায় দুই দল।

দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণের ধার কমায়নি আইভরি কোস্ট। শেষ পর্যন্ত ৬৪তম মিনিটে আসে কাঙ্ক্ষিত দ্বিতীয় গোল। মাঝমাঠ থেকে ইব্রাহিম সানগারের নিখুঁত পাস ধরে আবারও গোলের দেখা পান নিকোলাস পেপে। ঠান্ডা মাথার ফিনিশে নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করার পাশাপাশি দলের ব্যবধানও ২-০ করেন এই ফরোয়ার্ড।
বাকি সময়ে কুরাসাও ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করলেও আইভরি কোস্টের রক্ষণভাগ ছিল অনড়। ফলে আর কোনো গোল না হলে ২-০ ব্যবধানের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে আইভরি কোস্ট।
এই জয়ের মধ্য দিয়ে ইতিহাস গড়েছে তারা। প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জায়গা নিশ্চিত করেছে আইভরি কোস্ট। আর জোড়া গোল করে সেই ঐতিহাসিক জয়ের নায়ক হয়ে থাকলেন নিকোলাস পেপে।

Share via:










