হানিমুন পিরিয়ড শেষে হৃদয়ের কাটছে সংগ্রামের দিন

এই সংগ্রামের সময় কেটে যাওয়া অবধারিত। কিন্তু সেজন্যে হৃদয়কে নিজের আত্মবিশ্বাস ফিরে পেতে হবে। সে প্রক্রিয়াতে হৃদয়কে সহয়তা করে যাচ্ছে বাংলাদেশ দল।

‘আমার তো হানিমুন পিরিয়ড শেষ, আমিও অনুশীলনে যাচ্ছি, চেষ্টা করছি।’ – বেশ নিদারুণ ব্যাডপ্যাচের মধ্য দিয়ে যাওয়া তাওহীদ হৃদয় অন্তত জানেন, তার হানিমুন পিরিয়ড শেষ। তাকে এবার টিকে থাকার লড়াইয়ে প্রতিনিয়ত নিজেকে ছাপিয়ে যেতে হবে। যদিও তিনি কতটুকু পারছেন সে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে দূর্দান্ত পারফরমেন্স করে হৃদয় এসেছিলেন বাংলাদেশের জাতীয় দলের পতাকাতলে। এসেই তিনি আশা জাগানিয়া পারফরমেন্সে সবার বিশ্বাস অর্জন করেছিলেন। দেশে-বিদেশে সর্বত্র চলেছে তার ব্যাট দারুণভাবে। এমনকি শ্রীলঙ্কার মাটিতে ফ্রাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট খেলতে গিয়েও তিনি স্থানীয় দর্শকদের মনে দাগ কেটেছিলেন। তার নামের পাশে যুক্ত হয় ‘স্টারবয়’ তকমা।

ঠিক কতটা আলোর বিকিরণ ঘটিয়ে তার আগমনের অধ্যায় লিখেছিলেন তাওহীদ হৃদয়। কিন্তু হুট করেই গেল বছর খানেক সময় ধরে তার পারফরমেন্সের গ্রাফ হয়েছে নিম্নগামী। এশিয়া কাপের মঞ্চে প্রবেশের আগে তো দলে তার প্রয়োজনীতা নিয়েও উঠেছিল প্রশ্ন। তবে হৃদয় বিশ্বাস করেন তিনি ফিরবেন। সেই বিশ্বাস অবশ্য তার উপর গোটা টিম রেখেছে।

হংকংয়ের বিপক্ষে তাকে সুযোগ দেওয়া সেই বিশ্বাসের জায়গা থেকেই। ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে হৃদয় বলেছেন, ‘আমার হাতে যা আছে আমি তা করতে পারব, আমি তাই করছি। আশা করছি এখান থেকে ওভারকাম করব।’ হৃদয়ের ওভারকাম করা বাংলাদেশের জন্যেও ভীষণ প্রয়োজনীয়। কেননা দলের মিডল অর্ডারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বভার তার উপরই ন্যাস্ত।

এই সংগ্রামের সময় কেটে যাওয়া অবধারিত। কিন্তু সেজন্যে হৃদয়কে নিজের আত্মবিশ্বাস ফিরে পেতে হবে। তার উদাহরণ হিসেবে রয়েছেন বিশ্বমানের ক্রিকেটাররা। তিনি বলেন, ‘দেখেন বিশ্বমানের খেলোয়াড়দেরও ক্যারিয়ার গ্রাফ একইভাবে যায় না।’ অতএব তিনি জানেন আগুনের দিন শেষ হবে একদিন।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link