ব্যাটিং অর্ডারের পরীক্ষা নিরীক্ষা, শীর্ষ ব্যাটারদের অনিশ্চয়তা, বোলিংয়ের দুর্বলতা — ভারতের জন্য নেতিবাচক সব রকম প্রবণতাই দেখা গেছে ওমানের বিপক্ষে — সবকিছু মিলে ভারতকে আগামী ম্যাচগুলোতে চাপের মুখে ফেলতে পারে সুপার ফোরের অন্য দলগুলো।
সুরিয়াকুমার যাদবকে ইচ্ছে করেই নামানো হলো না, যাতে বাকিরা অনুশীলন করার সুযোগ পায়। শীর্ষ ব্যাটারদের ব্যর্থতা ও ভঙ্গুরতা স্পষ্ট ছিল। শুভমান গিল আবার ব্যর্থ। সাঞ্জু স্যামসন হাফ সেঞ্চুরি করলেও ইনিংসটা তেমন প্রভাব ফেলেনি, মন ভরে দর্শকদের, নতুন ভূমিকায় সাঞ্জু এখন ঠিক পারফরমার নন।

হার্দিক পান্ডিয়া দুর্ভাগ্যজনকভাবে রান আউট হলেও, তাঁর ব্যাটিংয়ে আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি চোখে পড়েছে। দলে, তাঁর ভূমিকাটা এই এশিয়া কাপে কেমন? – সেটা পরিস্কার করেনি ভারত। অক্ষর প্যাটেল রান পেলেও, তাঁর পজিশন নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। এই অস্থিরতা যদি এখনো থেকে যায়, তবে শক্তিশালী প্রতিপক্ষের সামনে ভারতীয় ব্যাটিং লাইনআপ একদম ভেঙে পড়তে পারে।
ওমানের মতো দলের কাছ থেকে চাপে পড়া ভারতের জন্য উদ্বেগের। ভারত ১৮৮ রান করলেও জবাবে ওমান ১৬৭ রান পর্যন্ত লড়ে গেছে। আটটা ভারতীয় উইকেটও তারা তুলে নিয়েছে। শেষ বল পর্যন্ত ম্যাচে লড়াই টেনে নেওয়া একপ্রকার ইঙ্গিত— ভারতের বোলিংয়ে এখনও দুর্বলতা আছে, যেটা ওমানের ব্যাটাররাও বুঝে নিয়ে রান বের করতে পেরেছেন।

পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা বা বাংলাদেশের মতো প্রতিপক্ষ পেলে এই দুর্বলতা আরও নগ্নভাবে প্রকাশ পাবে। সব মিলিয়ে সুপার ফোরের যাত্রা শুরুর আগে গৌতম গম্ভীর একটু চাপেই থাকবেন। বিশেষ করে শুরুতেই যখন আবার পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ, তখন ওমান খানিকটা দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে দিয়ে গেল ভারতের।










