বার্সেলোনার জার্সি গায়ে জড়াতে পারতেন হামজা!

২০১৮ সালে ইংল্যান্ডের অনূর্ধ্ব-১৯ দলে সুযোগ পেয়েছিলেন হামজা। সবমিলিয়ে তিনি উদীয়মান থ্রি লায়ন্সদের হয়ে সাত ম্যাচ খেলেছিলেন। আর সেসময়টাতে তাঁর বার্সেলোনায় যোগ দেয়ার ব্যাপারে গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল। শুধু তাই নয়, রিয়াল মাদ্রিদ, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মত ক্লাবও নজরে রেখেছিল তাঁকে।

বার্সেলোনার জার্সিতে বাংলাদেশের কেউ খেলছেন – ভেবেই শরীরের লোম দাঁড়িয়ে যাওয়ার কথা। তবে দূরতম এ কল্পনা সত্যি হয়ে যেতে পারতো; হামজা দেওয়ান চৌধুরীর সুবাদে বার্সেলোনার মাটিতে লাল-সবুজের ছাপ পড়তো। বানিয়ে বলা হচ্ছে না কিছুই, ২০১৮-১৯ সালের কথা স্প্যানিশ জায়ান্টরা নিজেদের মিডফিল্ড ঢেলে সাজানোর লক্ষ্যে দলে নিতে চেয়েছিল তাঁকে।

পুরো বাংলাদেশ এখন ভুগছে হামজা জ্বরে; কোটি ফুটবলপ্রেমীর স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়েছেন তিনি। বাংলাদেশের নাগরিকত্ব নিয়ে লাল-সবুজের জার্সি গায়ে ছাপিয়েছেন তিনি। এর মধ্য দিয়ে প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলার রেকর্ড গড়েছেন এই তারকা।

লেস্টার সিটির হয়ে বড় একটা সময় খেলেছেন তিনি, এখন ধারে যোগ দিয়েছেন শেফিল্ড ইউনাইটেডে। মাঝে ওয়াটফোর্ড শিবিরেও ছিলেন – এরা সবাই প্রথম স্তরের ক্লাব, বাংলাদেশের কেউউই কখনো এতটা উচ্চতায় পৌছাতে পারেনি। তিনি সেজন্যই ‘বিশেষ’, একটু বেশিই বিশেষ।

তাঁর আবেদন অবশ্য বেড়ে যেতো ভাগ্য সহায় হলে; ২০১৮ সালে ইংল্যান্ডের অনূর্ধ্ব-১৯ দলে সুযোগ পেয়েছিলেন হামজা। সবমিলিয়ে তিনি উদীয়মান থ্রি লায়ন্সদের হয়ে সাত ম্যাচ খেলেছিলেন। আর সেসময়টাতে তাঁর বার্সেলোনায় যোগ দেয়ার ব্যাপারে গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল। শুধু তাই নয়, রিয়াল মাদ্রিদ, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মত ক্লাবও নজরে রেখেছিল তাঁকে।

যদিও শেষপর্যন্ত দুইয়ে দুইয়ে চার মেলেনি, প্রিমিয়ার লিগেই থেকে গিয়েছেন এই মিডফিল্ডার। এরপরের গল্প তো সবারি জানা, বাফুফের সহায়তায় ২০২৪ সালে বাংলাদেশের পাসপোর্ট হাতে পান তিনি; আর এবার তিনি আন্তর্জাতিক ফুটবলে অভিষেকের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছেন।

বাংলাদেশের জনসমুদ্র তাঁদের নিঃস্বার্থ ভালবাসা দিয়ে বরণ করে নিয়েছে হামজাকে। সেই ভালবাসার প্রতিদান দেয়ার পালা এখন সামনে, যার শুরুটা হচ্ছে ভারত ম্যাচ দিয়ে।

Share via
Copy link