হোপ-পলের দাপটে ধরাশায়ী ভারত

সিরিজের প্রথম ম্যাচে ভারতের জয়, এরপর ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রত্যাবর্তন, আবার ভারতের ঘুরে দাঁড়ানো। আর চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতে ক্যারিবীয়দের দাপুটে জয়! সব মিলিয়ে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে এখন ২–২ সমতা। শেষ ম্যাচে যে দল জিতবে, সিরিজের ট্রফিটাও যাবে তাদের ঘরে।

এ যাত্রায় ব্যর্থ ভারত! শাই হোপের কাছে আরও একবার নতজানু হতে হলো শ্রেয়াস আইয়ারের দলকে। ২৪ রানের ব্যবধানে হারতে হলো চতুর্থ টি-টোয়েন্টি। সেই সঙ্গে পাঁচ ম্যাচের সিরিজেও ফিরল সমতা। শেষ ম্যাচে ভারতকে যে ক্যারিবীয়রা ছেড়ে কথা বলবে না, হায়দরাবাদের এই জয় যেন সেই বার্তাই দিয়ে রাখল।

সিরিজের প্রথম ম্যাচে ভারতের জয়, এরপর ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রত্যাবর্তন, আবার ভারতের ঘুরে দাঁড়ানো। আর চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতে ক্যারিবীয়দের দাপুটে জয়! সব মিলিয়ে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে এখন ২–২ সমতা। শেষ ম্যাচে যে দল জিতবে, সিরিজের ট্রফিটাও যাবে তাদের ঘরে।

 

কেনই বা এই উত্তেজনা থাকবে না? হায়দরাবাদের রাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৩ উইকেটে ২৪৭ রান তোলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ভারতের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৪৮। কিন্তু শুরুতে আশার আলো জ্বালিয়েও শেষ পর্যন্ত ১৯.৪ ওভারে ২২৩ রানে অলআউট হয় স্বাগতিকরা। ২৪ রানের জয়ে সিরিজে সমতা ফেরায় ক্যারিবীয়রা।

শুরুটা যদিও বিধ্বংসী ছিল ভারতের! সাঞ্জু স্যামসন যেন ব্যাট হাতে ঝড় তুলতেই নেমেছিলেন। মাত্র ২৩ বলে ৫৬ রান। ছয়টি চার আর চারটি ছক্কায় সাজানো তাঁর ইনিংস ভারতকে এনে দিয়েছিল উড়ন্ত সূচনা। পাওয়ারপ্লেতেই ৮০ রান তুলে বড় লক্ষ্য তাড়া করার স্বপ্ন দেখাচ্ছিল ভারত।

স্যামসন ফেরার পরপরই মাত্র তিন বলে ছয় রান করে ইশান কিশানের বিদায়। এরপর অভিষেক শর্মার ব্যাট থেকেও প্রত্যাশিত বিধ্বংসী ইনিংস আসেনি। ২৪ বলে ২৯ রান করে ফিরতে হয় তাঁকে। ভারতের ইনিংসে তখন চাপ বাড়ছে, আর সেই চাপকে আরও তীব্র করে তুলছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলিং।

তবে মাঝের ওভারে তিলক ভার্মা এবং নীতিশ কুমার রেড্ডি লড়াইটা আবার জমিয়ে তোলেন। তিলকের ২৫ বলে ৪৩ এবং নীতিশের ২০ বলে ৪১ রানের ইনিংসে একটা সময় মনে হচ্ছিল, ম্যাচের ফল যেকোনো দিকেই যেতে পারে। কিন্তু ২০০ রানে তিলকের বিদায়ের পর দৃশ্যপট দ্রুত বদলে যায়। কিমো পলের আগুনে বোলিংয়ে ভারত শেষ চার উইকেট হারায় মাত্র ২৩ রানের মধ্যে। পাঁচ উইকেট নিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন পল।

অন্যদিকে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিংয়ের গল্পটা ছিল শাই হোপের নামে লেখা। অধিনায়ক ৫০ বলে অপরাজিত ১০২ রান করেন। হোপের সঙ্গে দারুণ সঙ্গ দেন শেরফেন রাদারফোর্ড। মাত্র ২৬ বলে অপরাজিত ৪৯ রান করে শেষদিকে ঝড় তোলেন তিনি। দুজনের ৪৩ বলে ৯১ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিই ওয়েস্ট ইন্ডিজকে নিয়ে যায় ২৪৭ রানে। এর আগে শিমরন হেটমায়ার মাত্র ১২ বলে ৩৩ রান করে ভারতীয় বোলারদের চাপে ফেলেছিলেন।

শেষ অবধি ২৪ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। একদিকে শাই হোপের শতক, অন্যদিকে কিমো পলের পাঁচ উইকেট। দুই তারকার পারফরম্যান্সেই যেন লেখা হলো চতুর্থ টি-টোয়েন্টির ফলাফল।

Share via
Copy link