মাত্র ৫৮ রানের টার্গেট তুড়িতেই উড়িয়ে দিল ভারত, একেবারে একতরফা পারফরম্যান্স। প্রতিপক্ষ আরব আমিরাত যেন একেবারেই ছন্নছাড়া, দিশেহারা। এই ভারতের সামনে দাঁড়ানো যে রীতিমতো অসম্ভব।
শুরুতেই টসে জিতলেন সুরিয়াকুমার যাদব। সবারই প্রত্যাশা ছিল ভারত হয়তো আগে ব্যাট করবে, ধুমধামার ব্যাটিংয়ে এশিয়া কাপের উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলবে। তবে সুরিয়া বাস্তবিক চিন্তা করলেন, আরব আমিরাতকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানালেন।
প্রথম ওভারটাতে হার্দিক পান্ডিয়াকে দুই চার হাঁকিয়ে ভালো শুরু এনে দেন ওপেনার আলিসান সারাফু। প্রথম তিন ওভারেই আমিরাতের স্কোরবোর্ডে বিনা উইকেটে ২৫ রান। সারাফু একাই করেন ২২।

তবে চতুর্থ ওভারে বুমরাহ এলেন যমদূত হয়ে। ট্রেডমার্ক ইয়োর্কারে স্টাম্প উপড়ে ফেললেন, এশিয়া কাপের নিজের উইকেট যাত্রাটা শুরু করলেন সারাফুকে থামিয়ে দিয়ে। পরের ওভারে বরুণ তুলে নেন জোহাইবকে। ছয় ওভার শেষে আমিরাতের সংগ্রহ দাঁড়ায় দুই উইকেট হারিয়ে ৪১ রান।
এই পর্যন্ত অবশ্য ঠিকঠাকই ছিল। বিপত্তি বাধে নবম ওভারের মাথায়। কুলদীপ যাদবের এক ওভারেই তিন শিকার, ওখানেই একপ্রকার সব শেষ হয়ে যায় আমিরাত। ৪৭ থেকে ৫৭, এই ১০ রানের মাথায় তারা হারিয়েছে আট উইকেট। কুলদীপের চার আর শিভম দুবে নেন তিন উইকেট। ভারতের সামনে লক্ষ্যমাত্রা দাঁড়ায় মাত্র ৫৮ রানের।
ভারতের মতো দলের সামনে এই রান যে একবারেই মামুলি তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। ফলাফলস্বরূপ অভিষেক শর্মা আর শুভমান গিলের ঝড়ো শুরু জয়ের বন্দরে নিয়ে আসে দলকে। যদিও ১৬ বলে ৩০ করে ফিরতে হয় অভিষেককে, ততক্ষণে অবশ্য স্কোরবোর্ডে ৪৮ রান জমা পড়ে যায়। শেষপর্যন্ত ১৫.৩ ওভার এবং নয় উইকেট হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে নৌকা ভেড়ায় সুরিয়াকুমারের দল।

ভারত এই আসরে ফেবারিট, আর প্রথম ম্যাচের আধিপত্য বিস্তার যেন সেটারই এক ঝলক। পরের ম্যাচ চির-প্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিপক্ষে, সেখানেও একচেটিয়া দাপট দেখাতে পারবে ভারত? উত্তরটা সময়ের হাতেই তোলা থাক।











