মেসির গোলেও পরাজয়ের স্বাদ পেল মিয়ামি

মেজর লিগ সকারে লিওনেল মেসির ইন্টার মিয়ামির মাঠে ২-১  ব্যবধানের রোমাঞ্চকর জয় পেয়েছে টরন্টো এফসি। ম্যাচের প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকলেও দ্বিতীয় অর্ধে আক্রমণ ও গোলের আসল লড়াই জমে ওঠে।

মেজর লিগ সকারে লিওনেল মেসির ইন্টার মিয়ামির মাঠে ২-১  ব্যবধানের রোমাঞ্চকর জয় পেয়েছে টরন্টো এফসি। ম্যাচের প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকলেও দ্বিতীয় অর্ধে আক্রমণ ও গোলের আসল লড়াই জমে ওঠে।

খেলার প্রথমার্ধেই দারুণ একটি গোলের সুযোগ হাতছাড়া করে ইন্টার মিয়ামি। ডি-বক্সের ভেতর ফাঁকা জায়গায় বল পেয়েও মিয়ামির ফরোয়ার্ডের নেয়া শট গোলপোস্টের সামান্য ওপর দিয়ে বেরিয়ে যায়, ফলে নিশ্চিত এগিয়ে যাওয়া থেকে বঞ্চিত হয় স্বাগতিকরা।

বিরতির পর আক্রমণ বাড়িয়ে ম্যাচের ৫৯তম মিনিটে মিয়ামির রক্ষণভাগের সুযোগ নিয়ে টরন্টোকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন জোশ সার্জেন্ট। মিয়ামির রক্ষণের ঢিলেঢালা ভাব কাজে লাগিয়ে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে বল জালে পাঠান তিনি।

প্রথম গোলের ঘোর কাটার আগেই ৬২তম মিনিটে ব্যবধান ২-০ করেন টরন্টোর ডেরিক এতিএন্নে। দ্রুত গতির এক কাউন্টার অ্যাটাক থেকে চমৎকার শটে মিয়ামির গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন এই ফরোয়ার্ড।

দুই গোলে পিছিয়ে পড়ার পর মিয়ামিও একাধিক সুযোগ হাতছাড়া করে। বিশেষ করে ৭০ মিনিটের মাথায় একদম কাছে থেকেও মিয়ামির এক আক্রমণভাগের খেলোয়াড়ের নেয়া শট টরন্টোর গোলরক্ষক অসাধারণ দক্ষতায় রুখে দেন।

অবশেষে ৮২তম মিনিটে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায় ইন্টার মিয়ামি। লিওনেল মেসি নিজের একক নৈপুণ্যে দর্শনীয় এক শটে বল জালে জড়িয়ে ব্যবধান ২-১ এ নামিয়ে আনেন।

শেষ বাঁশি বাজার আগে মিয়ামি সমতায় ফেরার জোর চেষ্টা চালালেও টরন্টোর শক্ত রক্ষণে তা বাধা পায়। ফলে শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে টরন্টো এফসি।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link