লা লিগায় নিজেদের প্রথম ম্যাচে এস্পানিওলের মাঠে গিয়ে ২-১ ব্যবধানের এক রুদ্ধশ্বাস জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। হোসে মরিনহোর দ্বিতীয় মেয়াদের শুরুটা হলো ঠিক যেমনটা তাঁর এবং রিয়াল মাদ্রিদ সমর্থকদের চেনা – নাটকীয়তা, তীব্র লড়াই আর শেষ মুহূর্তের জয়ে।
ম্যাচের শুরুর দিকে রিয়াল মাদ্রিদ দারুণ আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেয়। নয় মিনিটের মাথায় বাঁ প্রান্ত থেকে আরদা গুলেরের নিখুঁত ফ্রি-কিক থেকে দুর্দান্ত হেডে গোল করেন জুড বেলিংহাম। তবে শুরুতে আক্রমণ ভালো হলেও ভিনিসিয়াস জুনিয়রের পারফরম্যান্স ছিল হতাশাজনক। ডিফেন্সে ইব্রাহিমা কোনাতে এরিয়াল বলে দারুণ প্রভাব বিস্তার করেন।
প্রথম ধাক্কা সামলে ম্যাচের মাঝের দিকে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় এস্পানিওল। একের পর এক উইং থেকে ক্ষুরধার ক্রস বাড়িয়ে রিয়ালের বক্সে প্রবল চাপ সৃষ্টি করে তারা। ৩০ মিনিটের মাথায় হাভিয়ার হার্নান্দেজের তেমনই এক নিচু ক্রস থেকে বাঁ পায়ের কোণাকুণি শটে থিবো কোর্তোয়াকে পরাস্ত করে অ্যালেক্স কালাত্রাভা ম্যাচ ১-১ সমতায় ফেরান।

গোল হজমের পর রিয়াল ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও সুযোগ নষ্টের মহড়া চলে। ৪২ মিনিটের মাথায় বক্সে ফাঁকা জায়গায় বল পেয়েও কিলিয়ান এমবাপ্পের নিচু শট সরাসরি এস্পানিওল গোলরক্ষকের গ্লাভসে জমা পড়ে।
দ্বিতীয় অর্ধেও মরিনহোর শিষ্যদের চাপ বজায় থাকে। ৫৩ মিনিটে আবারও বেলিংহামের একটি জোরালো হেড ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। ফিরতি বলে আলতো টোকায় গোল করতে চেয়েছিলেন এমবাপ্পে, তবে বলের সঙ্গে সঠিক সংযোগ না হওয়ায় নিশ্চিত গোল হাতছাড়া হয়।
অবশেষে ৯০ মিনিটের মাথায় আসে সেই কাঙ্ক্ষিত এবং নাটকীয় মুহূর্ত। কিলিয়ান এমবাপ্পের ফাইনাল থার্ডের আক্রমণ এস্পানিওল রক্ষণ সামলাতে ব্যর্থ হলে সুযোগ কাজে লাগান সাবস্টিটিউটে নামা তরুণ ফরোয়ার্ড কার্লোস এসপি। অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় লক্ষ্যভেদ করে মরিনহোর ট্রেডমার্ক স্টাইলে রিয়ালের জয় নিশ্চিত করেন তিনি।












