সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছেন লিটন!

বিশ্লেষকরা বলছেন, দুই যুগ পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট সফরে লিটনের উপস্থিতি বাংলাদেশের ড্রেসিংরুমে জোগাবে বাড়তি সাহস।

সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়েই যেন ছুটছেন লিটন কুমার দাস। অবশ্য ছুটতে তিনি বাধ্যও। টেস্ট দলের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ব্যাটার তিনি। ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে টেস্ট খেলা, অথচ সেরা ব্যাটার লিটন নেই, তাই কি হয়? হতে দেওয়া যায়? ইনজুরির বাধা মাড়িয়ে প্রথম টেস্টের দলে ফিরেছেন, তবে এই ফেরায় স্বস্তি নেই। তাঁকে যে মাঠে নামা এগারোজনের মধ্যে একজন হতে হবে। পুরো ফিট নন তিনি, তবে কিছুই করার নেই। যেভাবেই হোক, দ্রুততম সময়ে ফিট হয়েই ফিরতে হবে লিটনকে।

প্রথম দফায় তাঁকে ছাড়াই দল গোছাতে হয়। মিরপুরের শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ৩১ জুলাই থেকেই নেটে অনুশীলন করা শুরু করেন এই ডানহাতি ব্যাটার। যা ইনজুরি কাটিয়ে মাঠে ফিরতে তাঁর প্রত্যয়ী হয়ে ওঠার ইঙ্গিত দেয়। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নিশ্চিত করে, অজিদের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচেই দেখা যেতে পারে এই নির্ভরযোগ্য ব্যাটারকে।

মূলত ডারউইনের ঘাসে ভরা পিচে ম্যাচে ব্যবধান গড়ে দিতে মূখ্য ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে পারেন লিটন দাস। সব প্রতিকূলতা ছাপিয়ে লিটন প্রথম টেস্টেই মাঠে নামবেন এবং পরিণত ব্যাটিং করে দলকে এগিয়ে নেবেন এই প্রত্যাশা সকলেরই।

এই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষেই ঘরের মাঠে ইনজুরিতে পড়েন তিনি। এরপর আর মাঠে নামা হয়নি। পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শেষে তিনি এখন অজি বধের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। পহেলা আগস্ট রাতেই খেলোয়াড়দের দ্বিতীয় বহরের সঙ্গী হয়ে ডারউইনের উদ্দেশ্যে উড়াল দেন তিনি। তাঁর এই  উপস্থিতি বাংলাদেশের ড্রেসিংরুমে জোগাবে বাড়তি সাহস।

লেখক পরিচিতি

সাব এডিটর

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link