দলের ওপর কর্তৃত্ব নেই লিটন দাসের!

আগের বলেই রান নেওয়ার সময় তাওহীদ হৃদয়ের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল লিটন দাসের। কাভারে বল ঠেলে দিয়ে এক রান নিতে চেয়েছিলেন লিটন, রাজি হননি হৃদয়। একটা ক্ষোভ ভিতরে জমে ছিল লিটনের, পরের বলেই সেটাই যেন বিস্ফোরিত হলো ব্যাটে-বলে। বাজে শট, বাজে সময়, বাজে ফলাফল।

আগের বলেই রান নেওয়ার সময় তাওহীদ হৃদয়ের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল লিটন দাসের। কাভারে বল ঠেলে দিয়ে এক রান নিতে চেয়েছিলেন লিটন, রাজি হননি হৃদয়। একটা ক্ষোভ ভিতরে জমে ছিল লিটনের, পরের বলেই সেটাই যেন বিস্ফোরিত হলো ব্যাটে-বলে। বাজে শট, বাজে সময়, বাজে ফলাফল।

হাসান আলীর অফ-স্টাম্পের বাইরে শর্ট বলটা টেনে খেলতে গিয়ে টো-এন্ড করে ফেললেন লিটন দাস। মিড-অনেই সহজ ক্যাচ নিলেন হারিস রউফ। ইনিংসের মাত্র ষষ্ঠ ওভারে, দলীয় ৫৪ রানে তৃতীয় উইকেট। চাপের ম্যাচ, বড় লক্ষ্য, আর নিজের ছন্দহীনতা—সব মিলিয়ে ধৈর্য হারালেন লিটন। আউট হয়েই ছুঁড়ে মারলেন ব্যাট উইকেটের দিকে।

বোঝাই যাচ্ছে, ক্ষুব্ধ লিটন। মাথা নিচু করে ফিরলেন সাজঘরে। অধিনায়ক হিসেবে মাত্রই যাত্রাটা শুরু করেছেন। এখনই কি দলের কেউ কেউ লিটনের নেতৃত্ব মানতে নারাজ? সতীর্থর ওপর মেজাজ হারিয়ে কি এভাবে উইকেট বিলিয়ে দিলেন? পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এমন প্রশ্নের উত্তরে লিটনের জবাব, ‘না, এমন নয়।’

তবে, ভেতরের ক্ষোভটা ঢেলে দিলেন সংবাদ সম্মেলনে। মাঠে প্রতিপক্ষের বল যতটা কঠিন, তার চেয়েও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে নিজেদের ভুল। লিটন বলেন, ‘ক্রিকেটে আপনার ব্যাসিক জিনিসগুলো করতে হবে। এই রান নেওয়াটা ব্যাসিক ছিল। এ মুহূর্তে আমরা মৌলিক কাজগুলো অনুসরণ করছি না। আপনি যদি ব্যাক টু ব্যাক দুটি উইকেট দেখেন, আমরা দুটি রান নেইনি। আমি এটিকে দোষ দিচ্ছি না। তবে, আমাদের এদিকে মনোযোগ দিতে হবে।’

পুরো দলের মানসিক ভাঙনের প্রতিচ্ছবি লিটনের এই বক্তব্য। লিটন কাউকে দোষ না দিলেও, অধিনায়কের ভেতরের হতাশাটা এখানেই স্পষ্ট। তাহলে কি সেই হতাশা থেকেই ব্যাট ছুড়ে মেরেছিলেন লিটন?

Share via
Copy link