মুমিনুলের ব্যাটের সৌরভ

হারারেতে সৌরভ ছড়ালেন মুমিনুল হক। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তুলে নিলেন পঞ্চম হাফ সেঞ্চুরি। যদিও, যথারীতি আবারও হাফ সেঞ্চুরিকে তিনি সেঞ্চুরি পর্যন্ত নিয়ে যেতে ব্যর্থ হলেন।

মাঝে সিলেটে দু’টো ইনিংস বড় করতে পারেননি। এর বাদে গেল আটটা ইনিংসের মধ্যে ষষ্ঠ হাফ সেঞ্চুরির দেখা পেলেন মুমিনুল হক সৌরভ। ৮১ বলে ১২ টি চারের সৌজন্যে করেন ৬০ রান। সব মিলিয়ে ক্যারিয়ারে ২৮ তম বার এই ফিফটির মাইলফলক ছুঁলেন তিনি।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের একমাত্র টেস্টে বাংলাদেশের টপ অর্ডার কার্যত ধুকেছে। দুই ওপেনার সাদমান ইসলাম কিংবা মাহমুদুল হাসান জয় কেউ-ই বড় ইনিংস খেলতে পারেননি।

তবে, তিন নম্বরে ব্যাট করতে নামা মুমিনুল হক ছিলেন ব্যতিক্রম। তৃতীয় উইকেট জুটিতে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর সাথে যোগ করেন ৭৭ রান।

সেখানে শান্তর অবদান মাত্র ১৮ রান। হারারের উইকেটের স্যুইং ও মুভমেন্ট বেশ দক্ষতার সাথেই মোকাবেলা করেছেন মুমিনুল। তবে, আরও একবার সেঞ্চুরি বঞ্চিত হলেন তিনি।

টেস্টে সর্বশেষ সেঞ্চুরি পেয়েছেন ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে। মানে, প্রায় বছর দুয়েক আগে। মুমিনুলের অপেক্ষার অবসান যত দ্রুত হয় ততই বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link