নিজেদের দোষে বুমরাহর সেরা রূপের সন্ধান পাচ্ছে না মুম্বাই

পাঞ্জাব কিংসের বিপক্ষে শ্বাসরুদ্ধকর এক ম্যাচে নয় রানের জয় পেয়েছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। অথচ দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুর চিত্র অনুযায়ী এই ম্যাচ সহজে জেতা উচিত ছিল তাঁদের। সাবেক অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার টম মুডিও সেটা বিশ্বাস করেন। তাঁর মতে, মুম্বাইয়ের এ ম্যাচ আরো দ্রুত শেষ করা উচিত ছিল। মূলত জাসপ্রিত বুমরাহকে ঠিকভাবে ব্যবহার না করায় পাঞ্জাব লড়াইয়ে ফিরতে পেরেছে বলে জানান তিনি।

নতুন বল হাতে বুমরাহ তান্ডব চালিয়েছিলেন এদিন, দুই উইকেট তুলে প্রতিপক্ষের টপ অর্ডার প্রায় একাই ধ্বসিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। তাঁর সাথে জেরাল্ড কোয়েটজিও যোগ দিয়েছিলেন, ফলে ১৪ রানে চার উইকেট হারিয়ে বসে পাঞ্জাব। অথচ তাঁরা মাঝের ওভারে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল।

এ ব্যাপারে মুডি বলেন, ‘বুমরাহ প্রথম দিকে দুই ওভার বল করে পাঞ্জাবকে চাপে ফেলেছিল। কিন্তু মজার ব্যাপার ১৩ ওভার পর্যন্ত সে আর একটি ওভারও করেনি। আমি মনে করি, মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স এখানেই পাঞ্জাব কিংসকে প্রতিযোগিতায় ফেরার সুযোগ দিয়ে ফেলেছিল। অথচ তাঁকে পুনরায় বোলিংয়ে এনে লড়াই পুরোপুরি শেষ করে দেয়া উচিত ছিল।’

অন্যান্যবারের তুলনায় এবার অবশ্য মুম্বাইয়ের বোলিং বিভাগ দুর্বল। জাসপ্রিত বুমরাহ ছাড়া কেবল কোয়েটজি রয়েছেন যার উপর নির্ভর করা যায়; বাকিরা কেউই খুব একটা ভরসা যোগ্য নয়। এই ব্যাপারটি তুলে এনেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি ডেল স্টেইন; তাঁর মতে, বুমরাহ ও কোয়েটজির বাকিদের কাছ থেকে সাহায্য প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ‘মুম্বাই এমন একটা পরিস্থিতিতে আছে যেখানে তাঁদের আরো কৌশলী হতে হবে। যদি তাঁরা সফলতা চায় তাহলে বোলিংয়ে কাউকে এগিয়ে এসে বুমরাহ, কোয়েটজিকে সাহায্য করতে হবে। আর নাহলে দলটি আরো পয়েন্ট হারাতে থাকবে।’

এছাড়া পাঞ্জাব বনাম মুম্বাই ম্যাচের আরো দুই পারফরমার সুরিয়াকুমার যাদব এবং আশুতোষ শর্মাকে নিয়ে কথা বলেছেন মুডি ও স্টেইন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বিবেচনায় সুরিয়ার ফর্মে ফেরার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন অজি অলরাউন্ডার। অন্যদিকে উদীয়মান প্রতিভা হিসেবে আশুতোষের প্রশংসা করেছেন প্রোটিয়া তারকা। বিশেষ করে বুমরাহ এর একটি ইয়র্কারে যেভাবে সুইপ শট খেলেছেন এই তরুণ সেটা মুগ্ধ করেছে তাঁকে।

 

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link