মুস্তাফিজের ভেলকিবাজি!

মুস্তাফিজুর রহমানের বল খেলতে না পেরে অসহায় তাকিয়ে হাসছেন বাবর আজম। এর আগে কুশল মেন্ডিস রীতিমতো ভ্যাবাচ্যাকা খেয়েছেন, তা দেখে দূরে দাঁড়িয়ে শাহীন শাহ আফ্রিদি সাধুবাদ জানিয়েছেন ফিজকে। অবশ্য জাদুকরী ওই কাটারের সামনে ব্যাটারদের অসহায় হওয়া ছাড়া আর কিইবা করার আছে।

মুস্তাফিজুর রহমানের বল খেলতে না পেরে অসহায় তাকিয়ে হাসছেন বাবর আজম। এর আগে কুশল মেন্ডিস রীতিমতো ভ্যাবাচ্যাকা খেয়েছেন, তা দেখে দূরে দাঁড়িয়ে শাহীন শাহ আফ্রিদি সাধুবাদ জানিয়েছেন ফিজকে। অবশ্য জাদুকরী ওই কাটারের সামনে ব্যাটারদের অসহায় হওয়া ছাড়া আর কিইবা করার আছে।

মুস্তাফিজের প্রোফাইলে ঢু মারলে দেখতে পারবেন, সেখানে লেখা লেফট আর্ম ফাস্ট মিডিয়াম বোলার। তবে চাইলেই মুস্তাফিজকে একটু গতিশীল স্পিনারও বলা যেতে পারে। তাঁর স্লোয়ার কাটার ডানহাতি ব্যাটারের জন্য রীতিমতো এক ধাঁধা, যার সমাধান সহজে করা যায় না।

দুনিয়ার অন্যতম সেরা ব্যাটার বাবর আজমও ফিজের কাটারের বিষে নীল হয়েছেন। এক ম্যাচ আগে সেঞ্চুরি হাঁকানো কুশলও মেকি হাসিতে অপারগতা ঢাকার বৃথা চেষ্টা করেছেন শুধু।

পেশোয়ার জালমির বিপক্ষে পাওয়ার প্লেতেই বল হাতে নিয়েছিলেন ফিজ। বাবর-কুশলদের বোকা বানিয়ে মোটে চার রান খরচ করেছেন। নিজের দ্বিতীয় ওভারেও সেই একই ধারা বজায় থেকেছে। এবার এক রান বেড়ে খরচের খাতায় সংখ্যাটা পাঁচ।

অবশ্য তৃতীয় ওভারটাতে এক ছক্কা হজম করায় স্কোরকার্ডটা বেমানান মনে হচ্ছিল ফিজের জন্য। তিন ওভারে ২২ রান, নামের পাশে উইকেট নেই। শুরুটা এত ভালো করেও শেষটা কি রঙিন পরিসংখ্যানটাকে ধূসর করে দেবে?

এমন প্রশ্ন যখন ঘুরপাক খাচ্ছে, ১৯তম ওভারে আবারও বল হাতে নিলেন। ডেথ ওভারে ফিজের জাদু দেখার অপেক্ষা তখন। তবে প্রথম বলটা মাইকেল ব্রেসওয়েল লং অনে উড়িয়ে মারলেন, ফিল্ডার সিকান্দার রাজা বোধহয় একটু বোকামি করে ফেললেন, যে বলটা আউট হতে পারত সেটাকেই সীমানার ওপারে পাঠাতে সাহায্য করেছেন।

তাতে অবশ্য ফিজ দমে যাননি। আবারও নিজের কাজে মনোযোগ দিয়েছেন। চতুর্থ বলেই ব্রেসওয়েলকেই সাজঘরে পাঠিয়ে মধুর প্রতিশোধ নিয়েছেন। শেষ বলটায় শিকার করেছেন আমির জামালকে।

শেষমেষ চার ওভার শেষে ৩০ রানের বিনিময়ে দুই উইকেট ঝুলিতে পুরেছেন মুস্তাফিজ। দিনটা বিবর্ণ হতে দেননি, বরং একটু বেশিই উজ্জ্বল করে তুলেছেন।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link