যুবরাজের সেঞ্চুরি বৃথা গেল নিউজিল্যান্ডের জয়ে

বৃথা গেল যুবরাজ সামরার অনবদ্য সেঞ্চুরি। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় আর পাওয়া হয়ে ওঠেনি কানাডার।

বৃথা গেল যুবরাজ সামরার অনবদ্য সেঞ্চুরি। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় আর পাওয়া হয়ে ওঠেনি কানাডার। আট উইকেটের বড়সড় ব্যবধানে পরাজিত হতে হয়েছে কানাডাকে। ব্যক্তিগত উজ্জ্বল দিনেও তাই বিষাদগ্রস্ত যুবরাজ, দলের জয়টাই তো যেকোন খেলোয়াড়ের জন্য মুখ্য।

টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কানাডা। চিপকের উইকেটে মোটামুটি একটা লড়াই করবার পুঁজি তুলে দিতে চেয়েছিল দলটি। সেই ইচ্ছের বাস্তবায়ন করেন যুবরাজ সামরা। তিনি একাই সামলে নিলেন দলের ব্যাটিংয়ের সমস্ত দায়িত্ব। দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেন যুবরাজ।

৬৫ বলের ইনিংসটিতে ১১ চার আর ছয় ছক্কায় ১১০ রানে থামে তার একক লড়াই। এটিই ছিল তার আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে প্রথম শতক। দলের বাকিরা সেই অর্থে তার সাথে তাল মেলাতে ব্যর্থ হলে, কানাডার পুঁজি দাঁড়ায় ১৭৩। লড়াই করবার মত যথেষ্ট পুঁজি বটে। কিন্তু নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এই লক্ষ্যমাত্রা ডিফেন্ড করা দারুণ কষ্টকর কাজ।

তবে কানাডার বোলাররা আশা জুগিয়েছিলেন। ব্ল্যাকক্যাপসদের দলীয় রান যখন ৩০ তখনই, পরপর দু’টো উইকেট তুলে নেয় কানাডা। ফিন অ্যালেন ও টিম সেইফার্ট- দুই ওপেনারকে প্যাভিলিয়নে পাঠান যথাক্রমে ডিলন হেইলিঙ্গার ও সাদ বিন জাফর। তবে এর পর আর সাফল্য ধরা দেয়নি কানাডার হাতে।

রাচিন রবীন্দ্র আর গ্লেন ফিলিপিস সামলে নিলেন দলের দায়িত্ব। দুইজনে মিলে গড়েন ১৪৬ রানের অপরাজিত জুটি। এতে করে খুব সহজেই আট উইকেট ও ২৯ বল বাকি থাকতেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় নিউজিল্যান্ডের তরী। সাথে নিশ্চিত হয় দলের সুপার এইটের যাত্রা। নিউজিল্যান্ডের এই জয়ে এক ম্যাচ হাতে থাকতেই টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেল আফগানিস্তান।

নিউজিল্যান্ডের শেষ ম্যাচে রাচিন রবীন্দ্র ৩৯ বলে ৫৯ রানে অপরাজিত থাকেন। গ্লেন ফিলিপস ছিলেন আরও বেশি আক্রমণাত্মক। ৩৬ বলে ৭৬ রান নিজের নামের পাশে জমা করেন ফিলিপস। এই দুইজনের যুগলবন্দীই কানাডার ঐতিহাসিক জয়ের স্বপ্নকে সত্যি হতে দেয়নি।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link