একটা রান আউট! একটা ভুল বোঝাবুঝি! একটা চমৎকার ম্যাচ! একটা সাজানো বাগান মুহূর্তের মধ্যে কিভাবে পরিণত হল খা খা মরুভূমিতে – তারই উজ্জ্বল উদাহরণ নাগপুরের ওয়ানডে।
বুলেটের গতিতে চলছিল দ্য গ্রেট ব্রিটেন এক্সপ্রেস। তখনই একটা রান আউট। ব্যস, থমকে গেল ট্রেন। মাত্র দুই রানের মধ্যে পাল্টে গেল ম্যাচর মোমেন্টাম। দুই রানের মধ্যে তিন ইংলিশ ব্যাটার ফিরে গেলেন সাজঘরে। নাগপুরে ম্যাচের ইংল্যান্ডের লাগামহীন রানের গতি আটকে দিল রোহিত শর্মার ব্রিগেড।
দেখে শুনে শুরু করা ইংল্যান্ডের গিয়ার আপ হয়ে গিয়েছিল দারুণ ভাবে। পিটার সল্ট বলকে পেটাতে শুরু করেছেন। ২৬ বলে ৪৩ রান করে ফেলেছেন। প্রায় টি-টোয়েন্টি সুলভ বোলিং। তখনই ছন্দ পতন। হার্দিক পান্ডিয়ার করা ইনিংসের নবম ওভারে তিন রান নিতে গেলেন। বিরাট মিক্স আপ। রান আউট হয়ে সাজঘরে ফিরে গেলেন সল্ট।

শ্রেয়াস আইয়ারের থ্রো থেকে স্ট্রাইকার এন্ডে রান আউট করতে একদমই ভুল করেননি উইকেটরক্ষক লোকেশ রাহুল। সল্ট আরও কিছু সময় উইকেটে টিকলে বড় বিপদ হতে পারত ভারতের জন্য।
এরপরই ২০২৩ বিশ্বকাপের পর আবারও তিন নম্বরে ব্যাট করতে নামেন জো রুট। কিন্তু, ভাগ্য সহায় হল না ইংল্যান্ডে। দশম ওভারটা করলেন এই ম্যাচ দিয়েই ওয়ানডেতে অভিষিক্ত হার্ষিত রানা। দুই বলের ব্যবধানে তিনি ফেরারেন বেন ডাকেট আর হ্যারি ব্রুককে। নট স্ট্রাইকিং এন্ড থেকে ব্যাটারদের যাওয়া আসা দেখে গেলেন অসহায় রুট।
এখানে দারুণ ফিল্ডিংয়ে রেখেছে বড় ভূমিকা। বেন ডাকেটের ক্যাচটা আরেক অভিষিক্ত যশস্বী জয়সওয়াল ধরেন অনেকটা পথ দৌঁড়ে এসে। এরপর রানের খাতা খোলার আগেই উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন হ্যারি ব্রুক। বিনা উইকেটে ৭৫ থেকে ইংল্যান্ড তখন তিন উইকেট হারিয়ে ৭৭! নাগপুরের বাইশ গজ ইংল্যান্ডের জন্য স্রেফ মাথা নিচু করে সাজঘরে ফেরার মোহরা।











