বাবরের হাত ধরে পাকিস্তানের অস্ট্রেলিয়া বধ!

লক্ষ্যটা ২০১, ছুঁয়ে ফেলা যায় সহজেই। তবে সেটা আরও সহজ হতে বাধ্য হয় যখন বাবর আজম উইকেট আগলে রাখেন।

লক্ষ্যটা ২০১, ছুঁয়ে ফেলা যায় সহজেই। তবে সেটা আরও সহজ হতে বাধ্য হয় যখন বাবর আজম উইকেট আগলে রাখেন। অভিজ্ঞতার শেষ নির্যাসটুকু নিঙড়ে দিয়ে জয় ছিনিয়ে নিয়ে আসেন।

রাওয়ালপিন্ডির উইকেট যেন অজি ব্যাটারদের কাছ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল। বিশেষ করে আরাফাত মিনহাসের ঘূর্ণিতে দিশেহারা হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার প্রতাপশালী ব্যাটিং অর্ডার। গুঁটিয়ে যায় মাত্র ২০০ রানে।

জবাবে ব্যাট হাতে নেমে মাজ সাদাকাত ব্যর্থ হয়ে সাজঘরে ফেরেন। নিভু নিভু প্রদীপটা অস্ট্রেলিয়ার জন্য আবারও জ্বলে ওঠার সম্ভাবনা জাগায়। এরপরই ক্রিজে আগমন ঘটে বিশ্বস্ত সেনানী বাবরের।

একপ্রান্ত আগলে রাখেন। স্কোরবোর্ডে রান তোলার তাড়া নেই, তাই ধীরলয়ে বাইশ গজের বুকে পদচারণা চলে তাঁর। কোনো তাড়াহুড়ো নেই, শান্ত-স্নিগ্ধতার পরশ ব্যাটে জড়িয়ে ছুটেছেন পুরোটা সময়।

মাঝপথে সঙ্গী হিসেবে পান গাজি ঘোরিকে। যোগ্য সঙ্গ দিয়ে যান তিনিও। বিপর্যয় শব্দটা তখন থেকেই অনুপস্থিত হয়ে যায়। দুজনে মিলে গড়েন ১২৭ রানের জুটি। শেষ দিকে এসে যবনিকা পতন ঘটে বাবরের। ৬৯ রানে থামে তাঁর ইনিংস।

তবে বাবরের ফেরা দেখে কিছু সময় বাদে সেই একই পথের পথিক হন ঘোরিও। তবে যাওয়ার আগে ৬৫ রানের এক দায়িত্বশীল নক উপহার দিয়ে যান। বাবর-ঘোরি দেখানো পথ ধরে অনায়াসে গন্তব্যে পৌঁছায় পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়াকে উড়িয়ে দেয় পাঁচ উইকেটের ব্যবধানে।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link