মহাসম্রাট কোহলি নাকি যুবরাজ গিল?

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) হাইভোল্টেজ মেগা ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে বিরাট কোহলির রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু ও শুভমান গিলের গুজরাট টাইটান্স।

ক্রিকেট দুনিয়ার সব আলো এখন আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) মেগা ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে বিরাট কোহলির রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু ও শুভমান গিলের গুজরাট টাইটান্স। ক্রিকেট বিশ্বের কোটি চোখ এখন এই দুই মহাতারকার ব্যাটের দিকেই তাকিয়ে।

চলতি আসরের বাইশ গজে দুই রাজপুত্রের গল্পটাই যেন সমান্তরাল। দুজনেই হাঁকিয়েছেন একটি করে চোখধাঁধানো সেঞ্চুরি। তবে রানের পাহাড়ে বিরাটের ৬০০ রানের চেয়ে কিছুটা এগিয়ে শুভমান গিল। ৭২২ রান নিয়ে বৈভব সুরিয়াভানশির পরেই তাঁর নাম।

বড় ম্যাচের মহাচাপ সামলাতে শুভমান গিল বরাবরই এক সিদ্ধহস্ত জাদুকর। আইপিএল ফাইনালে গিলের গড় প্রায় ৪৫। যা যেকোনো ব্যাটারের জন্য এক অলীক স্বপ্ন।

​২০২১ সালের ফাইনালে চেন্নাইয়ের বিপক্ষে তিনি খেলেছিলেন ৪৩ বলে ৫১ রানের এক লড়াকু ইনিংস। আর ঠিক পরের বছরই রাজস্থানের বিপক্ষে ৪৩ বলে ৪৫ রান করে অপরাজিত থেকে গুজরাটকে ট্রফি জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন এই ড্যাশিং ওপেনার।

​ঠিক এক রাত আগে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে রাজস্থানের বিপক্ষে গিলের অপ্রতিরোধ্য সেঞ্চুরি যেন আবারও হুঙ্কার দিচ্ছে। তাঁর এই আগুনে ফর্ম দেখে ভক্তদের মনে প্রশ্ন। আহমেদাবাদের ট্রফিটা কি তবে এবার গুজরাটের শোকেসেই জমা হচ্ছে?

অন্যদিকে আইপিএলের মহাবড় মঞ্চে বিরাট কোহলির গল্পটা দীর্ঘ প্রতীক্ষা, আক্ষেপ আর পরম এক ট্র্যাজেডির। ২০০৯ সাল থেকে আরসিবির হয়ে মোট চারটি ফাইনাল খেলেছেন আধুনিক ক্রিকেটের এই মহারাজা। যেখানে তাঁর মোট সংগ্রহ ১৩৯ রান আর গড় ৩৪ এর সামান্য ওপরে।

​দীর্ঘ ১৮ বসন্তের প্রতীক্ষা শেষে গত বছর ঘুচেছে বিরাটের ট্রফি খরা। এবার তাঁর সামনে লড়াইটা হলো সাম্রাজ্য ধরে রাখার। সব মিলিয়ে, ফাইনালের উত্তাল গ্যালারি এখন চার-ছক্কার ফুলঝুরি দেখার অপেক্ষায়। কে হাসবেন শেষ হাসি? অভিজ্ঞতার অহংকার নাকি যৌবনের ঔদ্ধত্য? উত্তরটা এখন সময়ের গর্ভে লুকানো।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link