বিশ্বকাপে ত্রাস ছড়াবে পাকিস্তান!

মাত্রই শেষ হয়েছে পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) নবম আসর, আর এই টুর্নামেন্টে আলো ছড়িয়েছেন এক দল প্রতিভাবান ক্রিকেটাররা। তাঁদের প্রতিভায় মুগ্ধ হয়েছেন স্বয়ং ইয়ান বিশপ। তাই তো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরাসরি নিজের মুগ্ধতার কথা জানিয়েছেন তিনি।

এবারের আসরে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন সায়িম আইয়ুব, সৌধ শাকিল, আঘা সালমানের মত তরুণেরা। এছাড়া বল হাতে শাহীন শাহ, নাসিম শাহর পাশাপাশি মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন মোহাম্মদ আলী, আব্বাস আফ্রিদির মত উদীয়মান পেসার।

সেজন্যই বিশপের বিশ্বাস, অভিজ্ঞতা আর তারুণ্যের মিশেলে দারুণ একটা স্কোয়াড নিয়ে বিশ্বকাপে যেতে পারবে পাকিস্তান। এছাড়া অনেক পাক ক্রিকেটারের ক্যারিবীয় প্রিমিয়ার লিগ (সিপিএল) খেলার অভিজ্ঞতা থাকা দলটাকে এগিয়ে দিবে বলে মনে করেন তিনি।

কিংবদন্তি এই ধারাভাষ্যকার বলেন, ‘পিএসএলের প্রতিভা দেখে মনে হচ্ছে ২০২৪ সালের বিশ্বকাপে শক্তিশালী একটা দল গড়তে যাচ্ছে পাকিস্তান। তাঁদের হাতে দুর্দান্ত কয়েকজন বোলার এবং ম্যাচ জেতানোর মত ক্রিকেটার রয়েছে। যারা ইতোমধ্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজে সিপিএল খেলে এসেছে।’

পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় টি-টোয়েন্টি লিগে এখন সফলতম দলের নাম ইসলামাবাদ ইউনাইটেড। ২০১৬ আর ২০১৮ সালের পর আরো একবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে তাঁরা। ফাইনালে মুলতান সুলতানসকে দুই উইকেটে হারিয়ে শেষ হাসি হাসতে পেরেছে দলটি।

এই শিরোপা জয়ে সামনে থেকে অবদান রেখেছেন অধিনায়ক শাদাব খান। ব্যাটে বলে অলরাউন্ডিং পারফরম্যান্স উপহার দিয়ে ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্টের পুরষ্কার নিজের করে নিয়েছেন তিনি। এছাড়া এলিমিনেটর, কোয়ালিফায়ার ও ফাইনাল ম্যাচে ধারাবাহিকভাবে ম্যাচসেরা নির্বাচিত হয়েছিলেন ইমাদ ওয়াসিম; অর্থাৎ টিম ইউনাইটেডের শিরোপা জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান আছে এই অলরাউন্ডারেরও।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link