একা হাতে অস্ট্রেলিয়ার বিদায়ের ঘন্টা বাজিয়ে দিলেন পাথুম নিসাঙ্কা। গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে দুর্ধর্ষ এক ক্যাচে ফেরানো দিয়ে শুরু হয় পাথুম নিসাঙ্কার বিজয়ী যাত্রা। এরপর ব্যাট হাতে অজি দম্ভকে শাসন করে তিনি তুলে নেন দশম বিশ্বকাপের প্রথম সেঞ্চুরি। অস্ট্রেলিয়ার পরাজয় নিশ্চিত করে তবে তিনি পেরিয়েছেন বাউন্ডারি।
এদিন অবশ্য ম্যাক্সওয়েলের এক সহজ ক্যাচ ছেড়ে বেদনার সাগরে ডুব দিয়েছিলেন পাথুম নিসাঙ্কা। তিনি জানতেন উইকেটটা ঠিক কতবড়! তবুও সহজ ক্যাচ করেছেন হাতছাড়া। অনুতপ্ত হচ্ছিলেন নিশ্চয়ই। প্রায়শ্চিত্তের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করছিলেন। তবে সময় আর বেশি লাগল না। চার বল পরেই দুর্ধর্ষ ক্যাচে ম্যাক্সওয়েলকে প্যাভিলিয়নে ফেরাতে সহয়তা করেন নিসাঙ্কা।

সে দফা যেন তিনি হাফ ছেড়ে বাঁচলেন। দলের জন্য নিদেনপক্ষে ২০টি রান অন্তত তিনি বাঁচাতে সক্ষম হলেন। তবে নিসাঙ্কা জানতেন শুধু ক্যাচ নিলেই সব কাজ শেষ হয়ে যায় না। ঘরের মাঠে রান তাড়ার রেকর্ড গড়ে ম্যাচটা জিততে হবে সুপার এইটে যেতে হলে। নিজের ভেতরে তিনি যেন লক্ষ্য স্থির করে ফেললেন- তিনিই হবেন লঙ্কানদের জয়ের নায়ক।
এরপর ব্যাট হাতে শুরু হল তার নিজস্ব শাসন। একেবারে শুরু থেকে শেষ- পুরোটা সময় বাউন্ডারিতে তিনি মাতিয়ে রাখেন পালেকেল্লের দর্শকদের। স্রেফ ৫২ বলে সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। দারুণ এই ইনিংসটি নিসাঙ্কা সাজিয়েছিলেন দশটি চার ও পাঁচটি সুবিশাল ছক্কায়। তাতে করে অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ১৮১ রান অবলীলায় টপকে যায় স্বাগতিকরা।

আট উইকেট হাতের রেখে অস্ট্রেলিয়ার জন্য দুর্বিষহ স্মৃতির মঞ্চ তৈরি করে ফেলেছে শ্রীলঙ্কা। অন্যদিকে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ আয়োজনের আমেজ আরেকটু বাড়িয়ে দিল তারা। সেজন্য অবশ্য পাথুম নিসাঙ্কার সুবিশাল ধন্যবাদ প্রাপ্য।











