টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চ মানেই আগ্রাসী ক্রিকেট খেলা, ঝড়ের গতিতে রান তোলা। যেখানে ১২০ বলের লড়াইয়ে একেকটা ডট বলও হয়ে ওঠে চাপের পাহাড়। অথচ সেই বিশ্বকাপের ইতিহাসেই এমন এক তালিকা আছে, যা বাংলাদেশের জন্য সুখকর নয়। তবে শুধু বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা নয়, বিশ্ব ক্রিকেটের নামজাদা বেশ কিছু খেলোয়াড়ও আছেন এই তালিকায়। যার সর্বশেষ সংযোজন বাবর আজম। আজকের আয়োজন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সর্বনিম্ন স্ট্রাইক রেটধারী ব্যাটারদের নিয়ে।
তালিকার এক নম্বরে স্থান পেয়েছে লিটন দাসের নাম। বাংলাদেশের সেরা ব্যাটারদের একজন হয়েও বিশ্বকাপে ২০ ইনিংস খেলে তাঁর স্ট্রাইক ১০৫.২৭। লিটনের ঠিক পরেই আছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ফিনিশিং রোলে দায়িত্ব সামলামো রিয়াদের ৩৩ ইনিংসে স্ট্রাইক রেট মাত্র ১০৬.৭৫। আর টপ থ্রির শেষ নামটা মুশফিকুর রহিম। ২৮ ইনিংস খেলে স্ট্রাইক রেট মাত্র ১০৭.৪৮।
এবার বাকিদের দিকে নজর দেওয়া যাক। চার নম্বরের নামটা আফগানিস্তানের অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নবির। ৩২ ইনিংস খেলে তাঁর স্ট্রাইক রেট ১০৯.৬৯। আর পঞ্চম স্থানে রয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক তারকা মোহাম্মদ হাফিজ। ২৭ ইনিংস স্ট্রাইক রেট ১১১.৮৭।

ভারতের বিপক্ষে সাত বলে পাঁচ রানের ইনিংস খেলে তালিকার ছয় নম্বর জায়গা দখল করে নিয়েছেন বাবর আজম। বর্তমান সময়ে বিশ্ব ক্রিকেটের সেরা ব্যাটারদের একজন হয়েও বিশ্ব মঞ্চে তাঁর এমন পরিসংখ্যান কিছুটা অসস্তিকরই বটে। ২০ ইনিংসে ১১১.৮১ স্ট্রাইক রেট জানান দেয় টি-টোয়েন্টির সাথে ঠিকঠাক বোঝাপড়া নেই তাঁর।
এছাড়াও আরও কিছু নাম আছে তালিকায়। কুমার সাঙ্গকারা, কেন উইলিয়ামসন, তামিম ইকবাল, গুলবাদিন নায়িবের মতো ক্রিকেটারা ব্যাট করেছেন ধীরগতিতে।
তবে এই তালিকায় আধিক্যটা এশিয়ান ক্রিকেটারদের বেশি। আরও পরিষ্কার করে বললে, বাংলাদেশিদের। ১০ জনের চারজনই বাংলাদেশের ক্রিকেটের বড় নাম। তবে এক লিটন ছাড়া সবাই এখন অতীত। তবুও এটি কেবল নিছক পরিসংখ্যান নয়, বরং বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের জন্য একটি সতর্কবার্তা। কেননা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আধুনিক ব্যাটিং গতি ধরে রাখা এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।












