মুম্বাইয়ের জার্সিতে চিরচেনা ডি কক!

চার বছর পর মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের জার্সি গায়ে চাপিয়েই সেঞ্চুরি। প্রতিপক্ষের বোলারদের একাই রুখে দিলেন, নিরীহ চোখে শাসন করলেন ওয়াংখেড়ে। কুইন্টন ডি কক যেন ঘোষণা দিলেন ঘরের ছেলে ফিরে এসেছে ঘরে, আর কোনো চিন্তা নেই।

চার বছর পর মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের জার্সি গায়ে চাপিয়েই সেঞ্চুরি। প্রতিপক্ষের বোলারদের একাই রুখে দিলেন, নিরীহ চোখে শাসন করলেন ওয়াংখেড়ে। কুইন্টন ডি কক যেন ঘোষণা দিলেন ঘরের ছেলে ফিরে এসেছে ঘরে, আর কোনো চিন্তা নেই।

রোহিত শর্মা নেই, সেই জায়গায় সুযোগ মিলেছে ডি ককের। আর সেটাকেই একেবারে লুফে নিলেন তিনি। মুম্বাইয়ের বিপদে ঘরছাড়া ছেলেটাই পাশে এসে দাঁড়াল।

রায়ান রিকেলটন এবং সুরিয়াকুমার যাদব। পরপর দুই বলে যখন ফিরে গেলেন নির্ভরযোগ্য দুই তারকা, তখন মুম্বাইয়ের রান মোটে ১২। সেখান থেকেই গল্পের পরবর্তী পর্ব লেখা শুরু করলেন ডি কক। পাঞ্জাব কিংসের চাপের দুর্গ ভেঙে ফেলতে শুরু করলেন।

একেকটা শট, যেন সেই যুবক ডি কককে ফিরিয়ে আনছিল, শান্ত চোখ, খুনে মেজাজ জানান দিচ্ছিল বয়স বেড়েছে কেবল, তবে ক্লাসের তো আর বয়স থাকে না। সময় গড়ানোর সাথে ওটা যে আরও পরিপক্ক হয়ে ওঠে।

স্কোরবোর্ডে ফিফটি এলো, তবে চার বছর ঘুমিয়ে থাকা দৌত্যের ক্ষুধা নিবারণ কি আর ফিফটি হয়। পণ করলেন যতটুকু সুযোগ পেয়েছেন তার সবটা কাজে লাগাবেন। সেটাই হলো, নামান ধিরের সাথে ১২২ রানের জুটি যেমন গড়েছেন, তেমনই নামের পাশে শতকটাও লিখে ফেলেছেন নিজের হাতে।

৬০ বলে ১১২ রানের হার না মানা ইনিংস। আইপিএলে নিজের তৃতীয়তম শতক। ওয়াংখেড়ের বুকে দাঁড়িয়ে যেন এক মহাকাব্য লিখলেন। মনে করিয়ে দিলেন সেই লাইনটা, বিপদেই বন্ধুর পরিচয়, বিপদেই বন্ধু চেনা যায়

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link