অস্ট্রেলিয়ার বোলিংয়ের বিপরীতে দাঁড়িয়ে তাণ্ডব চালালেন সায়িম আইয়ুব। ব্যাটে হারিয়ে যাওয়া মেজাজটা যেন ফিরে পেয়েছেন। সামনেই বিশ্বকাপ, বিশ্ব আসরে যাওয়ার আগে পাকিস্তানকে চিন্তামুক্ত রাখার বার্তা দিলেন যেন।
বিশ্বকাপ প্রস্তুতি গুছিয়ে নেওয়ার শেষ আয়োজন, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ। পাকিস্তানের নজর যে এবার বড় কিছুর দিকে। তবে সেটা যে অনেক দূরের পথ, এক অর্থে কঠিনও। নিজেদের যাচাই-বাছাই করার জন্য তাই উঠেপড়ে লেগেছে পাকিস্তান।
লাহোরে টস জিতে ব্যাটিং বেছে নেয় পাকিস্তান। ওপেনিংয়ে বরাবরের মতো সায়িম এলেন। নিজেকে ঠিকঠাক মেলে ধরতে না পারা, প্রত্যাশার ছিটেফোঁটাও মেটাতে না পারার আক্ষেপ বোধহয় পুড়িয়ে যাচ্ছিল তাঁকেও। দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে এক অর্থে।

এমন সময় বিস্ফোরণ ঘটাল তাঁর ব্যাট। শুরু থেকেই আগ্রাসী সায়িম চড়াও হলেন অজি বোলারদের ওপর। হারিয়ে খোঁজা তেজ, চোখেমুখে আত্মবিশ্বাসের ঝলক। দিনটা যে আজ তাঁর, সেটার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছিল। তবে হঠাৎই থমকে যেতে হলো, রান তোলার সময়সীমা ফুরালো অ্যাডাম জাম্পার কাছে নতি স্বীকার করে।
সাজঘরে যাওয়ার আগে কাজের কাজটা অবশ্য করে গেছেন সায়িম। ২২ বলে ৪০ রানের বিধ্বংসী এক নক খেলেছেন। স্ট্রাইক রেট যেখানে ১৮০-এর ওপরে। আর সেটাতেই মিলছে স্বস্তির সুবাতাস।
বোলিং বেশ কার্যকরী। এমনকি ব্যাটিং ব্যর্থতার পর কেউ কেউ তো দলের মূল বোলার হিসেবেই দেখছেন তাঁকে। তবে তাতে কি আর মন ভরে? ব্যাট হাতেই যে তাঁর আসল ভূমিকা। সেখানেই যে তাঁকে পাওয়া যাচ্ছিল না।

তবে এই ইনিংস যেন হারানো সায়িমের সন্ধান দিল। ব্যাট হাতে যদি ফর্মে ফিরতে পারেন, আর বল হাতে কারিকুরি চলে পরিকল্পনামাফিক, তবে যে সায়িম বিশ্বকাপের জন্য পাকিস্তানের মূল ভরসা হয়ে উঠবেন, তা বলাই যায়। এখন দেখার ধারাবাহিকতার গুপ্ত দুয়ার সায়িম খুঁজে পান কি না।











