ক্যারিয়ারের ৫০তম ম্যাচ, বিশেষ দিনটা একটু বিশেষ না করলে কি আর হয়? শারমিন আক্তার দিনটা বিশেষ করে তুললেন ব্যাট হাতে। খেললেন ৫০ রানের দায়িত্বশীল এক নক। আর তাতেই শেষদিকে ঝড় তোলার সুযোগ পেয়ে গেলেন স্বর্ণা আক্তার। বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডও পেল ২৩২ রানের লড়াকু সংগ্রহ।
দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে এই ম্যাচটা এক কথায় মহাগুরুত্বপূর্ণ ছিল। টানা দুই হারে বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেদের অবস্থানটা একটু নড়বড়েই করে ফেলেছিল বাংলার মেয়েরা। তাই তো জয়ের বিকল্প নেই।
রুবাইয়া হায়দার ঝিলিক যখন সাজঘরের পথ ধরছেন, সেই পথ ধরেই ক্রিজে এলেন শারমিন আক্তার। ৪৯ ম্যাচের অভিজ্ঞতা নামের পাশে। দলকে একটা ভালো অবস্থানে নিতে হলে ব্যাট হাতে জ্বলে উঠতেই হতো তাঁর।

সেই কাজটাই শারমিন করলেন। ব্যক্তিগত খাতায় তুললেন ৭৭ বলে ৫০ রান। নিগার সুলতানা জ্যোতিকে সঙ্গে নিয়ে গড়লেন ৭৭ রানের জুটি। আর তাতেই পায়ের তলায় মাটি শক্ত হলো বাংলাদেশের।
তবে শেষটাতে শারমিন থামলেন ওই পঞ্চাশেই। কাটা পড়লেন রান আউটের ফাঁদে। ততক্ষণে অবশ্য দলের রান দাঁড়িয়েছে চার উইকেট হারিয়ে ১৬৪। আর এরপরই বাকি কাজটা করেন স্বর্ণা আক্তার।
ব্যাট হাতে আফ্রিকান বোলারদের বিপক্ষে রীতিমতো ঝড় তোলেন, খেলেন ৩৫ বলে ৫১ রানের অপরাজিত ইনিংস। হাঁকিয়েছেন তিন চার আর তিন ছক্কা। আর তাতেই দলের রান দাঁড়িয়েছে ছয় উইকেট হারিয়ে ২৩২।

শারমিন নিজের অর্ধশতকটা স্মরণীয় করে রাখলেন আর স্বর্ণা ব্যাট হাতে নিজের সক্ষমতার জানান দিলেন। দুজনের ফিফটির সুবাদে বাংলাদেশ বোলাররা পর্যাপ্ত সুযোগ পেল আফ্রিকাকে বেঁধে রাখার।











