রান আউট ব্লান্ডার! বাংলাদেশের পক্ষে ফলাফল

দৃষ্টিকটু রান আউট আরেকটু হলেই হয়ত জাকের আলী অনিক মিস করে যেতেন। শেষ অবধি অবশ্য বাংলাদেশ দল ব্লান্ডার করেনি। 

আফগানিস্তানের ব্যাটারদের ব্লান্ডার। এক অনাকাঙ্খিত রানআউট। একেবারে হ-য-ব-র-ল পরিস্থিতি। দৃষ্টিকটু রান আউট আরেকটু হলেই হয়ত জাকের আলী অনিক মিস করে যেতেন। শেষ অবধি অবশ্য বাংলাদেশ দল ব্লান্ডার করেনি।

ইনিংসের পঞ্চম ওভারের দ্বিতীয় বলে ঘটেছে অপ্রত্যাশিত ঘটনা। স্ট্রাইকিং প্রান্তে ছিলেন রহমানুল্লাহ গুরবাজ। মুস্তাফিজের ছোড়া বলটাকে তিনি স্ট্রেইড ড্রাইভে ঠেলে দিলেন। দিয়েই দৌড় শুরু করলেন। অপরপ্রান্তে থাকা ডারউইশ রাসুলি অবশ্য বলের গতিপথেই রেখেছিলেন নজর।

মুস্তাফিজ দৌড়ে বল নিজের দখলে নিলেন। তিনি বোলিং প্রান্তেই থ্রো করতে চলেছিলেন। কিন্তু দলের বাকিদের চিৎকারে তার সম্মোহন কাটে। তিনি বেশ আলতো করেই বল পাঠালেন উইকেট রক্ষক জাকের আলীর দিকে। কিন্তু থ্রো-টা হয়নি ঠিকঠাক। অন্যদিকে ভুলের আশায় রাসুলি স্ট্রাইকিং প্রান্তের দিকে দৌড় শুরু করেন।

প্রায় বেচেই যাচ্ছিলেন রাসুলি। মুস্তাফিজের থ্রো নিজের আয়ত্বে নিতে বেশ বেগ পোহাতে হয়েছিল জাকেরকে। তারপর তিনি ঝাপিয়ে পড়ে স্ট্যাম্প ভেঙে রান আউট নিশ্চিত করেন। মুস্তাফিজ যদি প্রথমেই থ্রো করে দিতেন তবে, হয়ত জল এতদূর গড়াতো না। কিন্তু আফগান ব্যাটারদের নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়ার অভাব অন্তত স্পষ্ট।

উইকেটের পাশেই ছিল বল। এমন দূরত্বে রান নিতে হলে দুই ব্যাটারের বোঝাপড়া হওয়া চাই টপনচ। সেখানেই বরং আফগানদের ঘাটতি। রান আউটের ঘটে আফগানদের তৃতীয় উইকেটের পতন। স্কোরবোর্ডে রান তখন স্রেফ ৩১।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link