মারুফা-ঝিলিকদের ঝলকে বাংলাদেশের জয়!

নারী বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই বাংলাদেশের জয়। পাকিস্তানকে রীতিমতো হেসেখেলেই হারাল নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। ব্যাটে কিংবা বলে—সবটাতেই তুলল লেটার মার্কস।

নারী বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই বাংলাদেশের জয়। পাকিস্তানকে রীতিমতো হেসেখেলেই হারাল নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। ব্যাটে কিংবা বলে—সবটাতেই তুলল লেটার মার্কস।

শ্রীলঙ্কার আর. প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিং নিয়েছিল পাকিস্তান। তবে মারুফার সুইংয়ের সামনে খুব বেশি সুবিধা করে উঠতে পারেনি তারা। প্রথম দশ ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে রান এল ৪১।

এরপরই নাহিদা আক্তারের হানা। দুই ওভারের ব্যবধানে দুই উইকেট তুলে নিয়ে ধস নামানোর সূচনা করেন। বাংলাদেশের বোলিং তোপে অসহায় পাকিস্তানি ব্যাটাররা ব্যস্ত হয়ে যান আসা-যাওয়ার মিছিলে। মোক্ষম চালটা দেন স্বর্ণা আক্তার। ৩.৩ ওভার বল করে মাত্র পাঁচ রানের বিনিময়ে নেন তিন উইকেট। আর তাতেই পাকিস্তান থামে ১২৯ রানে।

একটা সহজ জয়ের হাতছানি। তবে শঙ্কাও অবশ্য ছিল। সহজ লক্ষ্যটা কঠিন করে ফেলবে না তো ব্যাটাররা! সাত রানের মাথায় ফারজানা ফিরে গেলে সে শঙ্কা আরও বৃহদাকার ধারণ করে। তবে পরিস্থিতি সামাল দেন রুবিয়া হায়দার ঝিলিক। শারমিন আক্তারকে সঙ্গে নিয়ে এগোচ্ছিলেন বেশ ভালোই।

শারমিন ফিরলেও এক প্রান্তে অবিচল থাকে তাঁর ব্যাট। তুলে নিলেন অর্ধশতক। মাঝের সময়ে জ্যোতিও সুবিধা করে উঠতে পারেননি। তবে শেষ অবধি ঝিলিকের ঝলকে আর কোনো বিপত্তি ঘটেনি। ৩১.১ ওভারের মাথায় সাত উইকেট হাতে রেখে অনায়াসে জয়ের বন্দরে নৌকা ভেড়ায় বাংলার মেয়েরা।

বিশ্বকাপের আগে পরিপূর্ণ প্রস্তুতির ঘাটতি ছিল। অনূর্ধ্ব-১৫ ছেলেদের বিপক্ষে হেরে সমালোচনার তীরে বিদ্ধ হতে হয়েছে। তবে সবকিছু উপেক্ষা করে মাঠের খেলায় যে জিতেছে বাংলাদেশ। নীরবে দিয়ে গেছে নিজেদের সেরাটা।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link