মোমেন্টাম ধরে অনবদ্য রাদারফোর্ড

চলতি সিরিজে এখন পর্যন্ত দারুণ ধারাবাহিক রাদারফোর্ড। সিরিজের প্রথম ম্যাচেই খেলেছিলেন ৫৬ রানের ইনিংস। যদিও সেদিন জয় পায়নি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাট হাতে আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠেন এই ক্যারিবীয় ব্যাটার। ২২৭.০২ স্ট্রাইক রেটে করেন ৮৪ রান, খেলেন দুর্দান্ত এক ইনিংস। গত ম্যাচের শেষদিকে ভারতীয় বোলারদের ওপর রীতিমতো চাপ সৃষ্টি করেও অবশ্য সেদিন দলকে জেতাতে পারেননি।

রাজিব গান্ধী আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে যেন ব্যাটিংয়ের এক অনন্য প্রদর্শনী উপহার দিলেন শেরফেন রাদারফোর্ড। ব্যাট চালালেন অবিশ্বাস্য গতিতে, চার-ছক্কার ফুলঝুরি ছুটিয়ে ক্যারিবীয় ইনিংসে যোগ করলেন নতুন মাত্রা। ঠিক যে মুহূর্তে যেমন ব্যাটিং প্রয়োজন ছিল, রাদারফোর্ড যেন সেভাবেই নিজেকে মেলে ধরলেন বাইশ গজে। অথচ এমন দুর্দান্ত এক ইনিংসের পরও শেষ পর্যন্ত থেকে গেল মাত্র এক রানের আক্ষেপ। ছোঁয়া হলো না ব্যক্তিগত অর্ধশতক!

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাটিং শুরু করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। শাই হোপ ও জুয়েল অ্যান্ড্রুর ব্যাটে তৈরি হয় ইনিংসের প্রাথমিক গতি। সেই মোমেন্টাম ধরে রাখার চেষ্টা করেন শিমরন হেটমায়ার ও রোভম্যান পাওয়েলও। তবে কেউই ইনিংসটাকে খুব বেশি দূর এগিয়ে নিতে পারেননি। এরপর হোপকে সঙ্গী করে ক্যারিবীয়দের ইনিংসে নতুন গতি এনে দেন রাদারফোর্ড। দুজনের ব্যাটে গড়ে ওঠে ৯১ রানের দুর্দান্ত জুটি।

চার-ছক্কার ঝলকে রীতিমতো ভারতীয় বোলারদের চাপে ফেলে দেন রাদারফোর্ড। মাত্র ২৬ বলে ৪৯ রানের অপরাজিত ইনিংস, যেখানে ছিল চারটি চার ও তিনটি ছক্কা। স্ট্রাইক রেট ১৮৮.৪৬! টি-টোয়েন্টির ব্যাটিংয়ে এমন বিধ্বংসী উপস্থিতি যে কোনো দলের জন্যই বড় প্রাপ্তি। তবে ইনিংসের শেষদিকে ব্যাটে-বলে সংযোগটা আরেকটু নিখুঁত হলে হয়তো ব্যক্তিগত অর্ধশতকটাও পূর্ণ হয়ে যেত। দলকে বড় সংগ্রহ এনে দেওয়ার আনন্দের মাঝেও তাই থেকে গেল পঞ্চাশ ছুঁতে না পারার ছোট্ট আক্ষেপ!

 

চলতি সিরিজে এখন পর্যন্ত দারুণ ধারাবাহিক রাদারফোর্ড। সিরিজের প্রথম ম্যাচেই খেলেছিলেন ৫৬ রানের ইনিংস। যদিও সেদিন জয় পায়নি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাট হাতে আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠেন এই ক্যারিবীয় ব্যাটার। ২২৭.০২ স্ট্রাইক রেটে করেন ৮৪ রান, খেলেন দুর্দান্ত এক ইনিংস। গত ম্যাচের শেষদিকে ভারতীয় বোলারদের ওপর রীতিমতো চাপ সৃষ্টি করেও অবশ্য সেদিন দলকে জেতাতে পারেননি।

দলের বড় সংগ্রহের দিনে আবারও নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিলেন রাদারফোর্ড। ব্যক্তিগত অর্ধশতক থেকে মাত্র এক রান দূরে থেমেছেন ঠিকই, কিন্তু তাঁর ব্যাটিংয়ের প্রভাব পরিসংখ্যানে আটকে রাখার নয়। ঝড়ের গতিতে রান তোলা, চাপের মুখে দায়িত্ব নেওয়া আর দলকে লড়াইয়ের জায়গায় নিয়ে যাওয়ার যে সামর্থ্য তিনি দেখিয়েছেন, তাতে এই ইনিংস মনে রাখার মতোই।

Share via
Copy link