অবিশ্বাস্য শাই হোপ!

আরও এক ম্যাচ, আরও এক সেঞ্চুরি। অবিশ্বাস্য শব্দটার ঊর্ধ্বে চলে গেছেন শাই হোপ। টি-টোয়েন্টি সিরিজে দ্বিতীয় শতক হাঁকালেন। ভারত সফরে চতুর্থ। কীভাবে আটকানো যায় শাই হোপকে? ভারত বোধহয় এই একটা প্রশ্নের উত্তর মরিয়া হয়ে খুঁজছে।

আরও এক ম্যাচ, আরও এক সেঞ্চুরি। অবিশ্বাস্য শব্দটার ঊর্ধ্বে চলে গেছেন শাই হোপ। টি-টোয়েন্টি সিরিজে দ্বিতীয় শতক হাঁকালেন। ভারত সফরে চতুর্থ। কীভাবে আটকানো যায় শাই হোপকে? ভারত বোধহয় এই একটা প্রশ্নের উত্তর মরিয়া হয়ে খুঁজছে।

প্রতিদিন মাঠে নামবেন, ভারতীয় বোলারদের তুলোধুনো করে সেঞ্চুরি তুলে নেবেন। টার্গেট মিস হলে ফিফটি। শাই হোপের রোজনামচা যেন এটাই। অপ্রতিরোধ্য শব্দটা এত দিন পর আসল মানে খুঁজে পেল।

প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ফিফটি এসেছে, পরেরটাতেই শতক। ২৫০ রান তাড়া করে জিতিয়েছেন দলকে। মাঝের এক ম্যাচ বাদ দিয়ে আরও একবার সেঞ্চুরি হাঁকালেন। এমন ধারাবাহিকতা, এমন ধ্বংসাত্মক মেজাজ সাধারণ কারও হতে পারে কি?

 

এদিনও শুরু থেকেই ঝড় তোলেন তিনি। প্রতিপক্ষের পরিকল্পনা ভেঙে ছারখার করে দেওয়ার জন্যই উদ্যত হয়েছে ব্যাট। এরপর তাঁকে কে ঠেকায়? বল যেখানেই পড়ুক, সেটার ঠাঁই সীমানার বাইরে। ওয়ানডেতে গ্রামার মেনে ব্যাট করা হোপ, টি-টোয়েন্টিতে দেখালেন খুনে মেজাজ। এই বদলে যাওয়ার ব্যাপারটাতেই তিনি অনন্য হয়ে উঠেছেন।

শেষ দিকে একটা শঙ্কা জেগেছিল। সেঞ্চুরি হবে তো? ৯০ রানে যখন হোপ, তখন হাতে আছে মাত্র দুটো বল। তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার ছুঁতে হলে দুটো বলই সীমানার বাইরে পাঠাতে হবে। হোপ তাই করলেন, উড়িয়ে দিলেন দুটো বল। এরপরই ব্যাটখানা খুঁজে পেল শূন্যের ঠিকানা।

শেষমেশ ৫০ বলে নয় ছক্কা আর চারটা চারে সাজানো হার না মানা ইনিংস শেষ হয় ১০২ রানে। দলের সংগ্রহ ২৪৭। পুরো সফরটাতে শাই হোপ তাই অদম্য, অপ্রতিরোধ্য কিংবা সব বিশেষণের ঊর্ধ্বে।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

Share via
Copy link