গিরিপথের মশাল হতে প্রস্তুত সায়িম আইয়ুব

দ্য এক্স ফ্যাক্টর ইজ ব্যাক ইন ফর্ম। সাইম আইয়ুবের প্রত্যাবর্তন। সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে হলেও, স্বরুপে অন্তত ফিরলেন তিনি।

দ্য এক্স ফ্যাক্টর ইজ ব্যাক ইন ফর্ম। সায়িম আইয়ুবের প্রত্যাবর্তন। সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে হলেও, স্বরুপে অন্তত ফিরলেন তিনি। সেই চিরচেনা আগ্রাসন, সেই পুরনো ব্যাটিং ঝড়। এই ঝড়ে প্রশান্তির শীতল বাতাস বয়ে গেছে পাকিস্তান শিবিরে।

দীর্ঘদিন ধরেই অফফর্মের গ্যাড়াকলে ছিলেন সায়িম আইয়ুব। জাতীয় দল থেকে পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল), কোথাও সেই অর্থে রানের মধ্যে ছিলেন না তিনি। তবুও তার উপর পাকিস্তানের টিম ম্যানেজমেন্টের ছিল অগাধ আস্থা। সেই আস্থার জায়গা থেকেই তাকে এশিয়া কাপের দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

অপেক্ষা ছিল তার ফর্মে ফেরার। সেই অপেক্ষার প্রহরের অবসান ঘটালেন তিনি। দারুণ আগ্রাসনের সাথে তিনি চালিয়েছেন নিজের ব্যাট। প্রায় ১৮২ স্ট্রাইকরেটের ইনিংস খেলেছেন। চার ছক্কা আর সাত চারে সাজিয়েছেন নিজের ৬৭ রানের ইনিংস। ৩৮ বলের এই ইনিংসটিতে তাকে বহুদিন বাদে মনে হয়েছে সাবলীল।

তার এই সাবলীল ব্যাটিং পাকিস্তানকে দিচ্ছে আস্থা। কেননা এশিয়া কাপে ভাল করবার মূলমন্ত্র সায়িমের ভাল খেলা। তার উপরই যে নির্ভর করে পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ের গতিপথ। ইনিংস উদ্বোধনে এসে তিনিই নির্ধারণ করে দেন বাকিদের চলার পথ। কিন্তু ইনজুরি থেকে ফিরে সাইম যেন নিজেকে খুঁজছিলেন প্রবলভাবে। কিছুতেই কিছু হচ্ছিল না।

অপেক্ষাকৃত সহজ প্রতিপক্ষের বিপক্ষে রান করেছেন তিনি, এ কথা সত্য। কিন্তু তাতে করে তার সামর্থ্য হয়না প্রশ্নবিদ্ধ। যেকোন দিন তিনি পাকিস্তানের জন্যে পরিণত হতে পারেন তুরুপের তাসে। একাই ম্যাচ জেতানোর সক্ষমতা রয়েছে তার মধ্যে। সে কারণেই তো তাকে আগলে রাখতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা নেই পাকিস্তানের টিম ম্যানেজমেন্টের।

এখন স্রেফ এই প্রত্যাবর্তনের ধারাবাহিকতা প্রত্যাশিত তার কাছ থেকে। তার ব্যাটকে হতে হবে পাকিস্তানের মশাল। অন্ধকার গিরিপথ পাড়ি দিতে তাকেই হতে হবে পথিকৃৎ। বহু আশার সেই প্রদীপের জ্বালানি হতে সায়িম আইয়ুব নিজেও নিশ্চয়ই রয়েছেন মুখিয়ে।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link