কলম্বোতে রাজ করলেন শাহিবজাদা ফারহান!

বাঁচা-মরার ম্যাচ, জ্বলে উঠতেই হতো কাউকে। সেই দায়িত্ব নিজের কাঁধেই নিলেন শাহিবজাদা ফারহান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে দ্বিতীয় পাকিস্তানি ব্যাটার হিসেবে শতকের মাইলফলক ছুঁয়ে দেখলেন। দূর্দমনীয় মেজাজে পাকিস্তানের পায়ের তলার মাটিকে শক্ত করে তুললেন একা হাতে।

বাঁচা-মরার ম্যাচ, জ্বলে উঠতেই হতো কাউকে। সেই দায়িত্ব নিজের কাঁধেই নিলেন শাহিবজাদা ফারহান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে দ্বিতীয় পাকিস্তানি ব্যাটার হিসেবে শতকের মাইলফলক ছুঁয়ে দেখলেন। দূর্দমনীয় মেজাজে পাকিস্তানের পায়ের তলার মাটিকে শক্ত করে তুললেন একা হাতে।

ভারতের বিপক্ষে নাস্তানাবুদ হওয়ার পর পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে, নামিবিয়া ম্যাচ জেতার বিকল্প নেই। আরেকটা রাস্তা খোলা ছিল বৃষ্টির দিকে তাকিয়ে থাকা। তবে নিজেদের ভাগ্য নিজেদের হাতে লেখাই বেশি শোভনীয়। অর্থাৎ সমীকরণটা এমন, জিতলে সুপার এইট, হারলে বিদায়।

টস জিতে ব্যাটিং বেছে নেয় পাকিস্তান। লক্ষ্য একটাই, স্কোরবোর্ডে বড় রান চায়। আগের ম্যাচের ভুল করা চলবে না কোনমতেই। মাথার মধ্যে সে কথায় গেঁথে নিয়েছিলেন ফারহান। তবে শুরুর দিকে কিছুটা বেগ পেতে হয়েছে তাঁকে। ব্যাটে-বল সম্পর্কটা ঠিকঠাক জমে উঠছিল না।

তবে ঘাবড়ে যাননি ফারহান। নিজেকে কিছুটা সময় দিলেন, চ্যালেঞ্জ নিলেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ধারাল হলো ব্যাট, খোলস ছেড়ে বেরিয়ে এলেন নিজেও।

সব বল মারার জন্য সবসময় সময়টা অনুকূলে থাকে না। তাই তো কোনো তাড়াহুড়ো করেননি ফারহান। শান্ত থেকেছেন, সুযোগ পেলেই আদায় করেছেন রান। ফিফটি এল, তবে দায়িত্ব যে এখানেই শেষ নয়। মাঝ সমুদ্রে খেয় হারানোর সুযোগ যে এই ম্যাচে অন্তত নেই।

এরপরই রুদ্রমূর্তী ধারণ করলেন, ৩৭ বলে ফিফটির দেখা পেয়েছেন, পরের ফিফটি তুলতে খরচা করলেন মাত্র ২০ বল। নামিবিয়ার বোলাররা স্রেফ অসহায় তাকিয়ে দেখল তাঁর ধংসযজ্ঞ। শেষ পর্যন্ত ৫৮ বলে ১০০ রান করেই অপরাজিত থেকেছেন। ২০১৪ সাল, আহমেদ শেহজাদের পর দ্বিতীয় পাকিস্তানি ব্যাটার হিসেবে সেঞ্চুরি কীর্তি গড়লেন ফারহান। পাকিস্তানও পেল ১৯৯ রানের বিশাল পুঁজি।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link