ফুটবল তো বটেই দেশের ক্রীড়াঙ্গণেরই এখন সবচেয়ে বড় তারকা হামজা চৌধুরী। গণ্ডিটাকে শুধু খেলাধুলার অঙ্গন না রেখে, সামগ্রিক করলেও সবার আগে হামজার নামটাই আসবে বারবার। পণ্য বাজারে তাই হামজার চাহিদা এখন প্রবল, বড় বড় ব্র্যান্ডগুলো নিজেদের ছাতার নিচে হামজাকে নিয়ে আসতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।
এরই মধ্যে মোবাইল ফোন সেবা দাতা প্রতিষ্ঠান রবি, আর্থিক সংস্থা বিকাশের পণ্যদূত হয়েছে। জানা গেছে, দুই পক্ষের সাথেই হামজার বাৎষরিক পাঁচ কোটি টাকার চুক্তি হয়েছে। ইতিহাস বলে, এর আগে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে এত বাজারদর আর কেউ হাঁকেননি। শাহ সিমেন্ট নিজেদের পণ্যের দূত করেছে হামজাকে।
কাছাকাছি এর আগে যেতে পেরেছিলেন সাকিব আল হাসান। বাংলালিংক, গ্রামীন ফোন, স্কয়ার কিংবা এসিআই মোটরসের মত প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে তিনি ক্যারিয়ারজুড়ে দুই কোটি থেকে ৩০ লাখ টাকার বাৎসরিক চুক্তি করেছেন। সাকিব তাঁর ১৬-১৭ বছরে ক্যারিয়ারেও যা পাননি, হামজা সেটা জাতীয় দলে এক বছরের কম সময় থেকেই পাচ্ছেন।

এখানেই চোখ কপালে উঠছে। ফুটবলের ম্যাজিকটাই এখানে। আর হামজা যেখান থেকে এসেছেন, সেখানকার বিজ্ঞাপনী বাজারের সাথে তুলনা করলে এই সংখ্যাটাও আসলে খুবই ছোট।
হামজা ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ফুটবলার। লিস্টার সিটি ক্লাবের অধিনায়ক তিনি। বাংলাদেশ ফুটবল তো বটেই, সম্ভবত এই সময়ে দক্ষিণ এশিয়াতেও তাঁর মানের কোনো ফুটবলার নেই। বাংলাদেশের ব্র্যান্ডগুলোর জন্য হামজা তাই এখন হট কেক।
এমনতি সেই অর্থে বাংলাদেশে তেমন বড় কোনো বড় সুপার স্টারের অস্তিত্ব নেই, যাদের নিয়ে বড় পণ্যের ব্র্যান্ডিং করা যায়। শুধু খেলাধূলা কিংবা শো-বিজেই কয়েকজন আছেন, যাদের দিয়ে বিপণনের কাজ চলে যায়। সেখানে হামজার আবির্ভাব নতুন এক যুগান্তের সূচনাই করেছে।











