টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সাকিব-তাসকিনের রাজত্ব!

নীরব অথচ খতরনাক, ক্রিকেটের ভাষায় শব্দটির ওপর নাম হতে পারে ‘ডট বল’। ব্যাটসম্যানের নিঃশ্বাস আটকে দেওয়া একটি ডট বল মানেই বোলারের ক্ষুদ্র বিজয়। আর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দীর্ঘ ইতিহাসে সেই বিজয়ের সবচেয়ে বড় কারিগর একজনই, তিনি বাংলাদেশের সাকিব আল হাসান।

নীরব অথচ খতরনাক, ক্রিকেটের ভাষায় শব্দটির ওপর নাম হতে পারে ‘ডট বল’। ব্যাটসম্যানের নিঃশ্বাস আটকে দেওয়া একটি ডট বল মানেই বোলারের ক্ষুদ্র বিজয়। আর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দীর্ঘ ইতিহাসে সেই বিজয়ের সবচেয়ে বড় কারিগর একজনই, তিনি বাংলাদেশের সাকিব আল হাসান।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পরিসংখ্যান বলছে, এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৩২৬টি ডট বল করেছেন সাকিব। ৪১ ইনিংসে এই কীর্তি গড়েছেন তিনি, যা শুধু সংখ্যা নয়, বরং ধারাবাহিক নিয়ন্ত্রণ, ধৈর্য আর ম্যাচ-পড়ার অনন্য ক্ষমতার প্রমাণ। বিশ্বমঞ্চে যেখানে ব্যাটসম্যানরা প্রতি বলেই ছক্কা-চারের স্বপ্ন দেখে, সেখানে সাকিব বারবার তাদের স্বপ্নে বড় বাধা হয়ে এসেছেন।

উইকেট তুলতে যেমন পারদর্শিতা ছিল সাকিবের ঠিক তেমনই রান আটকে রাখার মুন্সিয়ানা তাকে বসিয়েছে সেরাদের কাতারে।

এই তালিকায় সাকিবের পরেই আছেন পাকিস্তানের শহিদ আফ্রিদি। ৩৪ ইনিংসে তাঁর ডট বল সংখ্যা ৩০৬। তিন নম্বরে  অস্ট্রেলিয়ার মিচেল স্টার্ক, ২৫ ইনিংসে ২৬২ ডট বলের মালিক তিনি, চারে টিম সাউদি। কিন্তু বাংলাদেশের গল্প এখানেই থেমে যায়নি।

এই তালিকার পরের নামটি তাসকিন আহমেদ। ২১ ইনিংসে ২৫৫টি ডট বল করেছেন বিশ্বকাপের মঞ্চে। সংখ্যার হিসেবে শীর্ষ চার থেকে সামান্য দূরে, কিন্তু সক্রিয় ক্রিকেটারদের মধ্যে সবার ওপরে। নতুন বল হোক বা ডেথ ওভার, সবখানেই নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়েছেন তিনি।

কিন্তু পরিসংখ্যানের এই দৌড়ে একটি দীর্ঘশ্বাসও আছে। ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ অংশ নিচ্ছে না। ফলে তাসকিন আহমেদও থাকছেন না এই মঞ্চে। মানে, ডট বলের তালিকায় সক্রিয়দের শীর্ষে থেকেও বিশ্বকাপের পরের অধ্যায়ে তাঁর নাম আর বাড়বে না।

এমন বাস্তবতায় আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ডট বলের মালিক হচ্ছেন ইংল্যান্ডের লেগ স্পিনার আদিল রশিদ। ৩০ ইনিংসে তাঁর ডট বল সংখ্যা ২৩৪।

তবুও ইতিহাসের পাতায় যখন ডট বলের রাজত্বের কথা উঠবে, তখন বাংলাদেশকে উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। সাকিব আল হাসানের নীরব আধিপত্য, তাসকিন আহমেদের গতিময় দাপট-এই দুই নাম মিলেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ডট বল ইতিহাসে বাংলাদেশের ছাপ সবচেয়ে গাঢ়।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link