যে ব্যাচটা বদলে দিয়েছিল বাংলাদেশের ভাগ্য!

বিশ্বকাপে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল সাফল্য পেয়েছে বেশ কয়েকবার। তার মধ্যে সবচেয়ে বড় শিরোনামটা ২০২০ সালে চ্যাম্পিয়ন তকমা পাওয়া। তবে সেটাই কি অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সেরা সাফল্য? ২০১৬ সালে তৃতীয় স্থান দখল করে নেওয়া কিংবা ২০০৬ সালে পঞ্চম হওয়াও তো আছে এই তালিকায়। যদিও দাঁড়িপাল্লায় মাপতে বসলে ওজনটা ২০০৬ সালের সাফল্যটাকেই যে এগিয়ে রাখবে।

বিশ্বকাপে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল সাফল্য পেয়েছে বেশ কয়েকবার। তার মধ্যে সবচেয়ে বড় শিরোনামটা ২০২০ সালে চ্যাম্পিয়ন তকমা পাওয়া। তবে সেটাই কি অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সেরা সাফল্য? ২০১৬ সালে তৃতীয় স্থান দখল করে নেওয়া কিংবা ২০০৬ সালে পঞ্চম হওয়াও তো আছে এই তালিকায়। যদিও দাঁড়িপাল্লায় মাপতে বসলে ওজনটা ২০০৬ সালের সাফল্যটাকেই যে এগিয়ে রাখবে।

ফলাফলের খাতায় পঞ্চম, কিন্তু সম্ভাবনার বিচারে সেই দলটা ছিল শিরোপা জয়ের যোগ্য। ঘড়ির কাটার সময়টা তখন বাংলাদেশ ক্রিকেটের পক্ষে ছিল না, পায়ের মাটি যে শক্ত হয়নি। সে সময় এই দলটা তৈরি করেছিল সম্ভাবনার বীজ, যার ফসল সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল কিংবা মুশফিকুর রহিমের নাম, যারা বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশের জায়গাটা পাকাপোক্ত করেছে।

২০০৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের গ্রুপ ছিল চ্যালেঞ্জিং। প্রতিপক্ষ পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড ও উগান্ডা। প্রথম ম্যাচেই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আত্মবিশ্বাসী শুরু করেছিল বাংলাদেশ। পাকিস্তানকেও গ্রুপপর্বে নাস্তানাবুদ করে ছাড়ে বাংলাদেশ। বোঝা যাচ্ছিল, এই দলটা আর পাঁচটা দলের মতো নয়।

গ্রুপের শেষ ম্যাচে উগান্ডার বিপক্ষে ১৭১ রানের বিশাল জয় ছিল প্রত্যাশিতই। মুশফিকুর রহিমের ম্যাচসেরা পারফরম্যান্সে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠে বাংলাদেশ। পাকিস্তান হয় রানার্সআপ। বাংলাদেশকে তখন ধরা হচ্ছিল শিরোপার অন্যতম দাবিদার।

তবে সেটা আর হয়ে ওঠেনি। কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের কাছে পরাজয়ের স্বাদ পেতে হয়েছিল উড়তে থাকা বাংলাদেশকে। তবু বাংলাদেশের গল্পটা আলাদা। কারণ ট্রফি না জিতেও এই দলটাই বাংলাদেশ ক্রিকেটকে দিয়েছে তার সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী তিন স্তম্ভ। তাই ফলাফলের খাতায় পঞ্চম হলেও, ইতিহাসের পাতায় ২০০৬ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ দলটা বাংলাদেশের কাছে এক চ্যাম্পিয়ন ব্যাচ, যাদের হাত ধরেই বদলে গেছে দেশের ক্রিকেটের ভাগ্য।

Share via
Copy link