লজ্জার সাগরে ডুবল সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ!

মাত্র ৮৬ রানেই গুঁটিয়ে গেল সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ। বড় নামের ভারে নিজেরাই চাপা পড়ল যেন। প্রতাপশালী ব্যাটিং অর্ডারকে একেবারেই ধুলোয় মিশিয়ে দিল গুজরাট টাইটান্স।

মাত্র ৮৬ রানেই গুঁটিয়ে গেল সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ। বড় নামের ভারে নিজেরাই চাপা পড়ল যেন। প্রতাপশালী ব্যাটিং অর্ডারকে একেবারেই ধুলোয় মিশিয়ে দিল গুজরাট টাইটান্স। টানা পাঁচ ম্যাচ জিতে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ আসন দখল করল শুভমান গিলের দল।

লক্ষ্যটা ১৬৯ রানের। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) এই রান তুড়িতেই উড়িয়ে দেওয়া যায়। আর দলটা যদি হয় হায়দ্রাবাদ তাহলে তো কথাই নেই। আক্রমণাত্মক ক্রিকেটের সংজ্ঞা যে তাদের হাতেই তৈরি। তবে দুঃসময় বলে অভিধানে একটা শব্দ আছে। সেটারই নির্মমতা দেখল হায়দ্রাবাদ।

অবশ্য হায়দ্রাবাদের মুখ থুবড়ে পড়ার আভাস প্রথম ওভারেই দিয়ে রেখেছিলেন মোহাম্মদ সিরাজ। মেইডেন ওভারসহ ট্রাভিস হেডের মহামূল্যবান উইকেট বাগিয়েছেন প্রথম ওভারেই। পরের ওভারেই যবনিকা পতন ঘটে অভিষেক শর্মার। এরপর যে আর কিছুই বাকি থাকে না।

টপ অর্ডার কিংবা মিডল অর্ডার কোথাও যেন কেউ নেই। ভাগ্য যেদিন মুখ ফিরিয়ে নেয় সেদিন কিছুই করার থাকে না। আজকের দিনটা হায়দ্রাবাদের কাছে হয়ে থাকল বিভীষিকা। স্রেফ ৮৬-তেই শেষ হলো ইনিংস।

গুজরাট যে রথ ছুটিয়েছে তার গন্তব্য কেবলই জয়ের খোঁজ পাওয়া। ১৬ পয়েন্ট নিয়ে একেবারে টেবিল টপার তারা। প্লে-অফের টিকিট যে প্রায় হাতের নাগালে এসে পড়েছে, এখন শুধু লুফে নেওয়ার অপেক্ষা।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link