নাসুম আহমেদ সব ভাবেই চেষ্টা করেছেন। কখনও বোলিং কখনও ব্যাটিং। বাকিরা দায়িত্ব নিতে পারলে নায়ক বনে যেতে পারতেন, হয়তো বা ম্যাচ সেরার পুরস্কারও জুটে যেত। নাসুম আহমেদের আক্ষেপটা তাই অন্য যে কারও চেয়ে বেশি।
এর মধ্যে ব্যাটিং নয়, বোলিংটাই বেশি বিস্ময় জাগায়। কারণ, তাঁর চেয়ে বোলিংয়ে সাফল্য পেতে মিরপুরের উইকেট কিংবা আফগানিস্তানের মত প্রতিপক্ষ দরকার হয় না, সেটা তিনি চোখে আঙুল দিয়ে দেখাতে পেরেছেন।

যথারীতি বোলিংয়ে উদ্বোধন করেছেন। স্পোর্টিং উইকেটে এই সিদ্ধান্ত ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। কিন্তু, নাসুম আহমেদ ছিলেন অবিচল। চার ওভার বোলিং করে হজম করেছেন মাত্র ১৫ রান। এরকম উইকেটে এর চেয়ে ‘ভাল’ কিছু সম্ভবত সম্ভব নয়।
বোলিং শেষে সেই ধারাটা ধরে রাখলেন ব্যাটিংয়েও। ১৩ বল খেলেছেন, ২০ রান করেছেন। টপ অর্ডার কিংবা মিডল অর্ডার যখন ব্যর্থ – তখন নাসুম আহমেদ ব্যাট হাতে জয়ের স্বপ্নটা বাঁচাতে চেয়েছিলেন। তিনটি চার আর একটি ছক্কা হাকান।

যে বলটায় বাউন্ডারি লাইনে ক্যাচ আউট হন, সেটাতেও ছক্কাই হাঁকাতে চেয়েছিলেন। অল্পের জন্য বাউন্ডারি লাইন পার করতে পারেননি। নাসুম শেষ পর্যন্ত জয়ের ইনটেন্টেই রাখতে চেয়েছিলেন। কখনও বোলার হিসেবে, কখনও ব্যাটার হিসেবে। এরকম টিমম্যানই বারবার চাইবে বাংলাদেশ দল।










